শিরোনাম:
ঢাকা, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
Swadeshvumi
বৃহস্পতিবার ● ১১ জুন ২০২৬
প্রচ্ছদ » ইসি ও নির্বাচন » ইসি পাবে ৪ হাজার ৪০১ কোটি টাকা
প্রচ্ছদ » ইসি ও নির্বাচন » ইসি পাবে ৪ হাজার ৪০১ কোটি টাকা
৩ বার পঠিত
বৃহস্পতিবার ● ১১ জুন ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

ইসি পাবে ৪ হাজার ৪০১ কোটি টাকা

* বাজেট ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ 

---

# এই বাজেট বিগত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ৪৯ শতাংশ বেশি

# স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য ইসির প্রস্তাবিত বাজেট প্রায় ২ হাজার ৯০০ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের জন্য ৪ হাজার ৪০০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা সংস্থাটির ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ। ভোটার তালিকা হালনাগাদ, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সেবা, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর নির্বাচনি ব্যবস্থাপনা এবং আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনকে সামনে রেখে ইসিকে এ বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। মোট বরাদ্দের মধ্যে নির্বাচন পরিচালনা খাতে ৩ হাজার ৬৪৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা এবং উন্নয়ন খাতে ৭৫৭ কোটি ৪৫ লাখ টাকা রাখা হয়েছে। ইসির বাজেট নথি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যয় নির্বাহে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ইসির সংশোধিত বরাদ্দ ছিলো ৪ হাজার ৭৬৯ কোটি টাকা; যা ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, আগামী অর্থবছরে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের জন্য কমিশন সরকারের কাছে প্রায় ২ হাজার ৯০০ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে। মধ্যমেয়াদি বাজেট প্রাক্কলনে এ খাতে ২ হাজার ৮২৯ কোটি ৪৫ লাখ ৯৭ হাজার টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব রয়েছে। এর আগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও অন্যান্য নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইসি প্রায় ৫ হাজার ৯২২ কোটি টাকা চেয়েছিল।

বাজেট নথি অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনের প্রধান দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও সংরক্ষণ, নির্বাচনি সীমানা নির্ধারণ, সব ধরনের নির্বাচন ও উপনির্বাচন পরিচালনা, জাতীয় পরিচয়পত্র প্রস্তুত ও বিতরণ, রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন, নির্বাচনি বিরোধ নিষ্পত্তি এবং নির্বাচনসংক্রান্ত আইন ও বিধিমালা প্রণয়ন।

এবারের বাজেটে কমিশনের চারটি খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো— সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন, ভোটার তালিকা হালনাগাদ ও বায়োমেট্রিক তথ্য সংরক্ষণ, নির্বাচনি ব্যবস্থাপনায় তথ্যপ্রযুক্তির বিস্তৃত ব্যবহার এবং প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধি।

বাজেট প্রস্তাবে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের সার্ভার, ডাটা সেন্টার ও নিজস্ব ভিপিএন নেটওয়ার্কের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর সেবা সম্প্রসারণ অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে ভোটার তথ্যভান্ডার হালনাগাদ, এনআইডি সেবা উন্নয়ন এবং নির্বাচন ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক করতে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।



বিষয়: #



আর্কাইভ