শিরোনাম:
ঢাকা, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
Swadeshvumi
সোমবার ● ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রচ্ছদ » ইসি ও নির্বাচন » ইসির নতুন জনসংযোগ পরিচালক মমিন সরকার
প্রচ্ছদ » ইসি ও নির্বাচন » ইসির নতুন জনসংযোগ পরিচালক মমিন সরকার
৩ বার পঠিত
সোমবার ● ২৭ জুলাই ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

ইসির নতুন জনসংযোগ পরিচালক মমিন সরকার

---

# সাংবাদিকদের সঙ্গে টানাপোড়েনের পর রুহুল আমিন মল্লিককে বদলি 

নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিককে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে উপসচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে। তাঁর স্থলে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) অনুবিভাগের উপসচিব মো. আব্দুল মমিন সরকারকে জনসংযোগ পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (২৬ জুলাই) ইসির সহকারী সচিব (মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) মোহাম্মদ শাহিদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ পরিবর্তনের কথা জানানো হয়।

যদিও বদলির আদেশে কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি, তবে সাম্প্রতিক সময়ে নির্বাচন কমিশনের সংবাদ ব্যবস্থাপনা ও সাংবাদিকদের সঙ্গে যোগাযোগ নিয়ে যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল, তার প্রেক্ষাপটে এ পরিবর্তনকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশেষ করে, নির্বাচন কমিশন কভার করা সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি) সম্প্রতি ইসির সিনিয়র সচিবের কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়। ওই অভিযোগে কমিশনের জনসংযোগ শাখার অসহযোগিতা, তথ্যপ্রাপ্তিতে প্রতিবন্ধকতা এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে পেশাদার আচরণের ঘাটতির কথা তুলে ধরে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।

এর কিছুদিনের মধ্যেই জনসংযোগ পরিচালকের দায়িত্বে পরিবর্তন আসে। ফলে বদলিকে অভিযোগের পরবর্তী প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে অনেকেই দেখলেও, নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে এমন কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। সরকারি আদেশেও বদলির কারণ উল্লেখ করা হয়নি। ফলে অভিযোগ ও বদলির মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে—এমন দাবি করার সুযোগ নেই।

নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন কমিশনের মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন, ভোটার তালিকা, রাজনৈতিক নিবন্ধন, সীমানা নির্ধারণ কিংবা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনসহ নানা সংবেদনশীল বিষয়ে কমিশনের অবস্থান দ্রুত ও নির্ভুলভাবে গণমাধ্যমে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব জনসংযোগ শাখার। সেখানে আস্থার সংকট বা যোগাযোগে দুর্বলতা তৈরি হলে কমিশনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।

বর্তমানে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক কার্যক্রমের প্রস্তুতি চলছে। এমন সময়ে জনসংযোগ শাখায় নেতৃত্ব পরিবর্তনকে কমিশনের তথ্য ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করার উদ্যোগ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

তবে বদলির প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নির্বাচন কমিশন এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি। ফলে এটিকে প্রশাসনিক রদবদল নাকি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নেওয়া সিদ্ধান্ত— সে প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর আপাতত মেলেনি।



বিষয়: #



আর্কাইভ