শিরোনাম:
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩
Swadeshvumi
বৃহস্পতিবার ● ৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রচ্ছদ » অপরাধ » রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন পাহাড়ে বসছে দুটি সেনা ক্যাম্প
প্রচ্ছদ » অপরাধ » রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন পাহাড়ে বসছে দুটি সেনা ক্যাম্প
১১ বার পঠিত
বৃহস্পতিবার ● ৮ অক্টোবর ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন পাহাড়ে বসছে দুটি সেনা ক্যাম্প

---

  • অপহরণ-মুক্তিপণসহ অপরাধ দমনে সিদ্ধান্ত
  • কাঁটাতারের বেড়া, সৌরবাতি, সিসিটিভি ও ওয়াচটাওয়ারও স্থাপন করা হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়সহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে দুটি সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রামু সেনানিবাসের ১০ পদাতিক ডিভিশনের অধীনে ক্যাম্প দুটি পরিচালিত হবে। একই সঙ্গে ক্যাম্পের নিরাপত্তা জোরদারে ক্ষতিগ্রস্ত কাঁটাতারের বেড়া পুনর্নির্মাণ, সৌরবিদ্যুৎচালিত বাতি, সিসিটিভি ক্যামেরা ও ওয়াচটাওয়ার স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির দ্বিতীয় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় নিয়মিত অপহরণের ঘটনা ঘটছে। বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষকে অপহরণ করে এসব এলাকায় নিয়ে মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনাও ঘটছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্টদের মতামতের ভিত্তিতে দুটি সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ভেতরে মাদক কারবার, অনলাইন জুয়া, মানবপাচার ও বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতার পাশাপাশি অস্ত্রসহ নানা অপরাধ রয়েছে। এসব নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এপিবিএনের নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো কাজ করছে। বিশেষ পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনার জন্যও এসওপি নির্ধারণ করা হয়েছে।

ক্যাম্পের নিরাপত্তা অবকাঠামো প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কাঁটাতারের বেড়া পুনর্নির্মাণ, নির্দিষ্ট দূরত্ব পরপর সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, সৌরবাতি এবং ওয়াচটাওয়ার নির্মাণ করা হবে। ক্যাম্পসংশ্লিষ্ট অপরাধের তদন্তে এপিবিএনের প্রায় ৪০০ সাব-ইন্সপেক্টর পর্যায়ের কর্মকর্তাকে তদন্তের ক্ষমতা দেওয়ার আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

রোহিঙ্গা অপরাধীদের জন্য পৃথক কারাগার স্থাপনের কোনো উদ্যোগ তার জানা নেই বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রত্যাবাসনের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন পৃথক উচ্চপর্যায়ের কমিটি দেখছে। আন্তর্জাতিক মহল ও জাতিসংঘের সহযোগিতায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।



বিষয়: #



আর্কাইভ