শিরোনাম:
ঢাকা, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
Swadeshvumi
সোমবার ● ২২ জুন ২০২৬
প্রচ্ছদ » ইসি ও নির্বাচন » এনআইডি সংশোধন প্রক্রিয়া সহজ করতে ইসির নতুন উদ্যোগ
প্রচ্ছদ » ইসি ও নির্বাচন » এনআইডি সংশোধন প্রক্রিয়া সহজ করতে ইসির নতুন উদ্যোগ
৪ বার পঠিত
সোমবার ● ২২ জুন ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

এনআইডি সংশোধন প্রক্রিয়া সহজ করতে ইসির নতুন উদ্যোগ

---

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিদ্যমান পদ্ধতির ত্রুটি চিহ্নিত করে সংশোধনের উপায় খুঁজতে এনআইডি অনুবিভাগকে প্রস্তাব দিতে নির্দেশ দিয়েছে সংস্থাটি।

সোমবার (২২ জুন) এনআইডি শাখার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।

কর্মকর্তারা জানান, এনআইডি সেবা সংক্রান্ত বিদ্যমান স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) পুনরায় পর্যালোচনা ও সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে নাগরিকদের এনআইডি সংশোধনে দীর্ঘসূত্রতা, জটিলতা ও ভোগান্তির অভিযোগ থাকায় পুরো প্রক্রিয়াকে আরও সহজীকরণের পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন।

পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন

এ লক্ষ্যে এনআইডি অনুবিভাগের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ)-এর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে বিদ্যমান এসওপিতে কোনো ত্রুটি বা জটিলতা রয়েছে কি না তা পর্যালোচনা করে সমাধানের সুপারিশ দিতে বলা হয়েছে।

কমিটি এনআইডি সেবা সহজীকরণ এবং বর্তমান প্রক্রিয়ার সীমাবদ্ধতা নিয়ে একটি কর্মশালার আয়োজন করবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে পরে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হবে।

ছয় ক্যাটাগরিতে চলছে সংশোধন কার্যক্রম

বর্তমানে এনআইডি সংশোধনের আবেদন ছয়টি ক্যাটাগরিতে নিষ্পত্তি করা হয়। এগুলো হলো— ক, ক-১, খ, খ-১, গ ও ঘ।

সহজ থেকে জটিলতার ভিত্তিতে এসব ক্যাটাগরি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ‘ঘ’ ক্যাটাগরির আবেদন সবচেয়ে জটিল হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এসব আবেদন সরাসরি এনআইডি মহাপরিচালক নিষ্পত্তি করেন।

এ ধরনের আবেদন নিষ্পত্তির পরও অসন্তুষ্ট আবেদনকারীদের সচিব ও নির্বাচন কমিশনের কাছে আপিল করার সুযোগ রয়েছে।

ঝুলে আছে প্রায় ৮৫ হাজার আবেদন

ইসি সূত্র জানায়, বর্তমানে প্রায় ৮৫ হাজার এনআইডি সংশোধন আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। বিপুলসংখ্যক আবেদন জমে থাকায় অনেক নাগরিককে দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

বিশেষ করে নাম, বয়স, পিতা-মাতার তথ্য, ঠিকানা ও জন্মতারিখ সংশোধনে জটিলতা এবং অতিরিক্ত কাগজপত্রের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা মনে করছেন, নতুন এসওপি প্রণয়ন করা হলে আবেদন নিষ্পত্তির সময় কমবে এবং নাগরিক ভোগান্তিও হ্রাস পাবে।

মৃত ভোটারদের নাম কর্তনে আলাদা কমিটি

এদিকে মৃত ভোটারদের নাম নিয়মিতভাবে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিতে পৃথক আরেকটি কমিটি গঠন করেছে নির্বাচন কমিশন।

এ কমিটির নেতৃত্ব দেবেন এনআইডি মহাপরিচালক। সারা বছর মৃত ভোটারদের তথ্য যাচাই করে ভোটার তালিকা হালনাগাদে প্রয়োজনীয় সুপারিশ করবে কমিটি।

ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, সঠিক ও নির্ভুল ভোটার তালিকা নিশ্চিত করতে মৃত ভোটারদের নাম দ্রুত অপসারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে এনআইডি সেবাকে আরও আধুনিক ও নাগরিকবান্ধব করার উদ্যোগও চলমান রয়েছে।



বিষয়: #



আর্কাইভ