শিরোনাম:
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
Swadeshvumi
বৃহস্পতিবার ● ২১ মে ২০২৬
প্রচ্ছদ » ইসি ও নির্বাচন » স্থানীয় সরকার ভোটে সহিংসতা ঠেকানোই ইসির বড় চ্যালেঞ্জ
প্রচ্ছদ » ইসি ও নির্বাচন » স্থানীয় সরকার ভোটে সহিংসতা ঠেকানোই ইসির বড় চ্যালেঞ্জ
১ বার পঠিত
বৃহস্পতিবার ● ২১ মে ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

স্থানীয় সরকার ভোটে সহিংসতা ঠেকানোই ইসির বড় চ্যালেঞ্জ

---


নিজস্ব প্রতিবেদক

স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সংঘাত ও রক্তপাতমুক্ত করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। অতীতের সহিংস অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনকে প্রধান লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করেছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রাণহানি বন্ধ করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

 

বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস আয়োজিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

 

সিইসি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঐতিহাসিকভাবেই সংঘাতপূর্ণ। বিভিন্ন সময় ভোটকে কেন্দ্র করে প্রাণহানি, আহত ও সহিংসতার বহু ঘটনা ঘটেছে। এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সাধারণ জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তিনি বলেন, “আমরা কোনো রক্তপাত চাই না। সংঘাতমুক্ত স্থানীয় সরকার নির্বাচন দিতে চাই।”

 

অতীতের নির্বাচনী সহিংসতার পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি জানান, সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ২৩৬ জন নিহত হন। এছাড়া আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য অনুসারে, ২০২১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রাণ হারান ১১৬ জন। এসব ঘটনা নির্বাচন ব্যবস্থার জন্য উদ্বেগজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সিইসি জানান, দেশে বর্তমানে ৪ হাজার ৫৮১টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৪৯৫টি উপজেলা পরিষদ, ৬১টি জেলা পরিষদ, ১৩টি সিটি করপোরেশন এবং প্রায় ৩৩০টি পৌরসভা রয়েছে। এত বড় পরিসরে নির্বাচন আয়োজন করা নির্বাচন কমিশনের জন্য বড় দায়িত্ব। তবে শান্তিপূর্ণ ভোট আয়োজনের জন্য কমিশনের প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি থাকবে না বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার জনগণের সবচেয়ে কাছের প্রশাসনিক কাঠামো। ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধিরা সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন সেবার সঙ্গে যুক্ত। তাই তৃণমূল পর্যায়ে গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

ঋণখেলাপিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন থাকায় তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চান না। তবে নির্বাচন কমিশন কোনো পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত নেয়নি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 



বিষয়: #



আর্কাইভ