শিরোনাম:
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
Swadeshvumi
মঙ্গলবার ● ১৯ মে ২০২৬
প্রচ্ছদ » প্রধান সংবাদ » জাতিসংঘে শান্তিরক্ষীদের সক্ষমতা বৃদ্ধির আহ্বান
প্রচ্ছদ » প্রধান সংবাদ » জাতিসংঘে শান্তিরক্ষীদের সক্ষমতা বৃদ্ধির আহ্বান
০ বার পঠিত
মঙ্গলবার ● ১৯ মে ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

জাতিসংঘে শান্তিরক্ষীদের সক্ষমতা বৃদ্ধির আহ্বান

---

ক্রমবর্ধমান সংঘাত ও পরিবর্তিত বৈশ্বিক নিরাপত্তা ঝুঁকির প্রেক্ষাপটে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের জন্য অধিকতর রাজনৈতিক সমর্থন, পর্যাপ্ত সম্পদ সরবরাহ এবং আধুনিক সক্ষমতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

ক্রমবর্ধমান জটিল সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষায় শান্তিরক্ষীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, দ্রুত প্রযুক্তিগত পরিবর্তন এবং অর্থায়নের সীমাবদ্ধতা বর্তমানে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার ম্যান্ডেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও পরিবর্তিত যুদ্ধ প্রযুক্তিজনিত উদীয়মান হুমকি মোকাবিলায় শান্তিরক্ষীদের উপযুক্তভাবে প্রস্তুত ও সক্ষম করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

গাজা পরিস্থিতি ও রোহিঙ্গা সংকটের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন বেসামরিক নাগরিকদের হতাহতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে বাধাহীন প্রবেশাধিকার, শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা এবং সংঘাত নিরসনে সংলাপভিত্তিক সম্পৃক্ততার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচনায় শান্তিরক্ষা কার্যক্রম ও মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে মতামত তুলে ধরেন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সামরিক উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল শেরিল পিয়ার্স, মিনুস্কার ফোর্স কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল হামফ্রে নিয়োনে এবং ইন্দোনেশিয়ার লেফটেন্যান্ট কর্নেল হার্লি সিনাগা।

অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করে বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, ঘানা, ইন্দোনেশিয়া, উরুগুয়ে, জাম্বিয়া এবং স্টিমসন সেন্টার।

স্টিমসন সেন্টারের লিসা শারল্যান্ড সেশনটি সঞ্চালনা করেন। এতে জ্যেষ্ঠ জাতিসংঘ কর্মকর্তা, কূটনীতিক, সামরিক নেতৃত্ব, শান্তিরক্ষা বিশেষজ্ঞ এবং বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।






আর্কাইভ