শিরোনাম:
ঢাকা, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২
Swadeshvumi
সোমবার ● ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
প্রচ্ছদ » ইসি ও নির্বাচন » রাঙ্গার বিরুদ্ধে পৌনে ২ কোটি টাকার মনোনয়ন বাণিজ্যেও অভিযোগ
প্রচ্ছদ » ইসি ও নির্বাচন » রাঙ্গার বিরুদ্ধে পৌনে ২ কোটি টাকার মনোনয়ন বাণিজ্যেও অভিযোগ
৩০ বার পঠিত
সোমবার ● ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

রাঙ্গার বিরুদ্ধে পৌনে ২ কোটি টাকার মনোনয়ন বাণিজ্যেও অভিযোগ

---

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

সাবেক পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী এবং জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মহাসচিব মো. মশিউর রহমান রাঙ্গার বিরুদ্ধে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য সুযোগ তৈরি করে দিয়ে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ঘুষ হিসেবে গ্রহণের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে ওই মামলার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।

জানা যায়, কুড়িগ্রাম-২ আসনের সাবেক এমপি পনির উদ্দিন আহমেদ কাছ থেকে ওই টাকা ঘুষ হিসাবে নেওয়ার অভিযোগে রাঙ্গা ও পনির উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।

অনুসন্ধান প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, সাবেক পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী এবং জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মহাসচিব মো. মশিউর রহমান রাঙ্গা ব্যবসায়িক সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও আসামি কুড়িগ্রাম-২ আসনের সাবেক এমপি পনির উদ্দিন আহমেদকে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য সুযোগ তৈরি করে দিয়ে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ঘুষ হিসেবে গ্রহণ করেছেন।

অনুসন্ধানকালে আরও দেখা যায়, আসামি পনির উদ্দিন আহমেদ মেসার্স জলিল বিড়ি ফ্যাক্টরি এবং হক স্পেশাল (পরিবহন ব্যবসা) নামীয় প্রতিষ্ঠানের সত্ত্বাধিকারী। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম শাখায় পরিচালিত আসামি পনির উদ্দিন আহমেদের মালিকানাধীন হক স্পেশাল নামীয় হিসাব থেকে ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর ওই ব্যাংকের রংপুর শাখায় পরিচালিত আসামি মো. মশিউর রহমান রাঙ্গার হিসাবে ২০ লাখ টাকা ট্রান্সফার করা হয়। সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের কুড়িগ্রাম শাখা থেকে পনির উদ্দিন আহমেদ রাঙ্গার সোনালী ব্যাংকের সংসদ ভবন শাখায় ২০১৮ সালের নভেম্বরে চার দফায় ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা জমা করেন। এভাবে মোট ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ঘুষ হিসেবে দেওয়া হয়েছে। ওই টাকা স্থানান্তর, হস্তান্তর, রূপান্তর, লেনদেনের মাধ্যমে আড়াল করার চেষ্টা করেছে। যা দণ্ডবিধির ১৬১/১৬৫/১০৯ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ হয়েছে। এ কারণে তাদের বিরুদ্ধে মামলা রুজুর সিদ্ধান্ত দিয়েছে কমিশন।

অন্যদিকে মো. মশিউর রহমান রাঙ্গার বিরুদ্ধে সন্দেহভাজন সম্পদের তথ্য পাওয়ায় তা যাচাই-বাছাই করতে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(১) ধারায় তার নামে সম্পদ বিবরণী নোটিশ জারির সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।






আর্কাইভ