শিরোনাম:
ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩
Swadeshvumi
বৃহস্পতিবার ● ২৫ জুলাই ২০২৪
প্রচ্ছদ » ইসি ও নির্বাচন » কর্মকর্তাদের দক্ষতা বাড়াতে ইসির নতুন প্রকল্প
প্রচ্ছদ » ইসি ও নির্বাচন » কর্মকর্তাদের দক্ষতা বাড়াতে ইসির নতুন প্রকল্প
৪৭০ বার পঠিত
বৃহস্পতিবার ● ২৫ জুলাই ২০২৪
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

কর্মকর্তাদের দক্ষতা বাড়াতে ইসির নতুন প্রকল্প

---

# নতুন প্রকল্পের নির্ধারিত জনবল ৬ জন
# প্রস্তাবিত প্রকল্পটি রয়েছে অর্থমন্ত্রণালয়ে
# চলতি জুলাইয়ে পাস হওয়ার সম্ভাবনা

শাহনাজ পারভীন এলিস


নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের সক্ষমতা ও কর্মদক্ষতা বাড়াতে ২৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকার নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ৫ বছর মেয়াদি এই প্রকল্পের নাম এনহেন্সিং ইফিসিয়েন্সি অব এপ্লয়িজ অব ইলেকশন কমিশন সেক্রেটারিয়েট (ইইইইসিএস)। এর মূল লক্ষ্য- প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ইসির বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের কর্মদক্ষতা বাড়ানো। প্রকল্পের মেয়াদকাল নির্ধারণ করা হয়েছে চলতি ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত।

সংস্থাটির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ খবরের কাগজকে জানিয়েছেন, নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) এর মাধ্যমে যেসব প্রশিক্ষণ নেওয়া সম্ভব হয় না তাদের জন্য সে ধরনের প্রশিক্ষণ আয়োজন করাই এই প্রকল্পের লক্ষ্য। বিশেষ করে তাদের ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা বৃদ্ধি করা, যাতে বিদেশে গিয়ে কমিউকেশন ও নেগোসিয়েশন দক্ষতা বাড়ে। এছাড়া বিদেশে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ও প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় কর্মকর্তাদের দক্ষতা বাড়ানোর নানা উদ্যোগ। ইসির প্রস্তাবিত নতুন প্রকল্পটি বর্তমানে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদনের অপেক্ষায় অর্থ মন্ত্রণালয়ে রয়েছে। চলতি জুলাইয়ে প্রকল্পটি অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাস হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রকল্পের জনশক্তি কেমন হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই প্রকল্প পরিচালনায় ঊর্ধ্বতন কোন কর্মকর্তা নিয়োগ করা হবে না। মোট জনবল থাকবে মাত্র ৬ জন। তার মধ্যে নতুন করে একজন হিসাবরক্ষক, একজন গাড়িচালক ও একজন অফিস সহকারি নিয়োগ দেওয়া হবে। বাকি পদগুলোতে কমিশন সচিবালয়ের কর্মকর্তারাই অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করবেন এবং এই কাজের জন্য তাদের বাড়তি সম্মানিও থাকবে না।

এর আগে গত ৩০ জুন শেষ হয় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও শক্তিশালীকরণ (এসসিডিইসিএস) প্রকল্পের কার্যক্রম। ২০১৮ সালের ১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া বিগত ওই প্রকল্পেরও মেয়াদ ছিলো পাঁচ বছর। লক্ষ্য ছিলো- প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জনসাধারণের সেবার মান বাড়াতে কর্মকর্তাদের দক্ষতা বাড়ানো এবং জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সেবা পেতে সাধারণ নাগরিকদের ভোগান্তি কমানো। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ওই প্রকল্পের আওতায় কর্মকর্তা-কর্মচারিদের সক্ষমতা বাড়াতে নির্ধারিত বিদেশে প্রশিক্ষণের ৫০ ভাগই বাস্তবায়ন হয়নি।

বিগত প্রকল্পের অর্জন সম্পর্কে জানতে চাইলে অশোক কুমার দেবনাথ জানান, ‘বিগত প্রকল্পের ৯৮ ভাগ লক্ষ্যমাত্রা আমরা পূরণ করতে পেরেছি। তবে প্রকল্প চলাকালে বিশ্বব্যাপী করোনা পরিস্থিতিসহ নানা কারণে একশ’ জন কর্মকর্তাকে বিদেশে প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানোর কথা থাকলেও সেখানে ৫০ জনকে পাঠানো সম্ভব হয়েছে। তবে প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি ৯৮ ভাগ। আর নির্ধারিত বাজেটের তুলনায় ব্যয় সাশ্রয় হওয়ায় ১০ ভাগ অর্থ উদ্ধৃত হয়েছে, যা ফেরত দেওয়া হয়েছে’। বিগত প্রকল্পের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এবারের নতুন প্রকল্প আরো বেশি কার্যকর ও সফল হবে- এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন সংস্থাটির এই অতিরিক্ত সচিব।

বিগত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২০২৩ সালের নভেম্বরে, ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়াতে ‘নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় আইসিটি ব্যবহারে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক প্রকল্প হাতে নেয় ইসি। প্রকল্পটির পরিচালক করা হয়েছে সংস্থাটির প্রশাসন ও অর্থ শাখার যুগ্ম সচিব মো. মনিরুজ্জামান তালুকদারকে। এছাড়া পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও প্রকাশনা শাখার উপ-প্রধান মুহাম্মদ মোস্তফা হাসানকে উপ-প্রকল্প পরিচালক এবং সিনিয়র সহকারী প্রধান মো. রাজীব আহসানকে সহকারী প্রকল্প পরিচালক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০২৬ অক্টোবর পর্যন্ত ৩ বছর মেয়াদি ৩৭ কোটি ৫ লাখ ৩৮ হাজার টাকার এই প্রকল্পের ব্যয়ের ৪০টি খাত নির্ধারণ করা হয়। খাতগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যয় ধরা হয়েছে প্রশিক্ষণে- ১৯ কোটি ৮৬ লাখ ১৭ হাজার টাকা। এরপর রয়েছে সেমিনার, আউটসোর্সিং এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামাদি খাতের ব্যয়।

বর্তমানে নির্বাচন কমিশন কার্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, ফলাফল ব্যবস্থাপনা সিস্টেম, স্মার্ট নির্বাচনি ব্যবস্থাপনা অ্যাপ, অনলাইনে মনোনয়নপত্র দাখিলের সিস্টেম, ইলেকট্রনিক ভোটিং সিস্টেম, এনআইডি সার্ভার প্রভৃতি ক্ষেত্রে প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে সেবা ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের চেষ্টা করছে।

ইসির নতুন প্রকল্প/এলিস





বিষয়: #



ইসি ও নির্বাচন এর আরও খবর

মিষ্টির পদত্যাগ: শুন্য নারী আসনে ভোট ১২ নভেম্বর মিষ্টির পদত্যাগ: শুন্য নারী আসনে ভোট ১২ নভেম্বর
ইউপি নির্বাচনের চূড়ান্ত রোডম্যাপ ঘোষণা ইউপি নির্বাচনের চূড়ান্ত রোডম্যাপ ঘোষণা
ইউপি নির্বাচনের রোডম্যাপ আসছে ১২ অক্টোবর ইউপি নির্বাচনের রোডম্যাপ আসছে ১২ অক্টোবর
জানুয়ারিতে আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করতে চাই: ইসি আনোয়ারুল জানুয়ারিতে আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করতে চাই: ইসি আনোয়ারুল
স্থানীয় নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকারসহ ১০ দফা দাবি স্থানীয় নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকারসহ ১০ দফা দাবি
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: অপতথ্য নিয়ন্ত্রণে ইসির সমন্বয়সভা ২৭ সেপ্টেম্বর ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: অপতথ্য নিয়ন্ত্রণে ইসির সমন্বয়সভা ২৭ সেপ্টেম্বর
ইউপি নির্বাচনে বাড়ল জামানত, হলফনামায় বিদেশে সম্পদের হিসাব ইউপি নির্বাচনে বাড়ল জামানত, হলফনামায় বিদেশে সম্পদের হিসাব
নভেম্বর ইউপি ভোট নয়, পিছিয়ে যাচ্ছে ইসির রোডম্যাপ নভেম্বর ইউপি ভোট নয়, পিছিয়ে যাচ্ছে ইসির রোডম্যাপ
এনআইডি সংশোধনে কর্মকর্তাদের নিবিড় নজরদারি এনআইডি সংশোধনে কর্মকর্তাদের নিবিড় নজরদারি
গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে সিদ্ধান্তে সংসদের চিঠির অপেক্ষায় ইসি: ইসি সচিব গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে সিদ্ধান্তে সংসদের চিঠির অপেক্ষায় ইসি: ইসি সচিব

আর্কাইভ