শিরোনাম:
ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
Swadeshvumi
সোমবার ● ২৯ জুন ২০২৬
প্রচ্ছদ » অর্থনীতি » রাজস্ব আহরণে মাইলস্টোন স্পর্শ, নিত্যপ্রয়োজনীয় ৬০টি পণ্যের উৎসে কর হ্রাস
প্রচ্ছদ » অর্থনীতি » রাজস্ব আহরণে মাইলস্টোন স্পর্শ, নিত্যপ্রয়োজনীয় ৬০টি পণ্যের উৎসে কর হ্রাস
১৭ বার পঠিত
সোমবার ● ২৯ জুন ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

রাজস্ব আহরণে মাইলস্টোন স্পর্শ, নিত্যপ্রয়োজনীয় ৬০টি পণ্যের উৎসে কর হ্রাস

বাজেট সমাপনী বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী

---

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) রাজস্ব আদায় দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৪ লাখ কোটি টাকার মাইলস্টোন অতিক্রম করেছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সাধারণ মানুষের স্বস্তি নিশ্চিত করতে নিত্যপ্রয়োজনীয় ৬০টি পণ্যের উৎসে কর কমানোর পাশাপাশি কাঁচাবাজার ও ক্ষুদ্র মুদি দোকানকে ভ্যাটের আওতার বাইরে রাখার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

সোমবার (২৯ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৮তম দিনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সমাপনী বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এসব তথ্য তুলে ধরেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র চার মাসের মধ্যে গৃহীত নানা সংস্কারমূলক পদক্ষেপের ফলেই রাজস্ব আহরণে এ সাফল্য এসেছে। আগামী অর্থবছরের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা চ্যালেঞ্জিং হলেও করের হার বৃদ্ধি নয়, বরং করভিত্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে তা অর্জন সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি জানান, রাজস্ব ব্যবস্থাকে আরও করদাতাবান্ধব ও স্বচ্ছ করতে রাজস্ব নীতি ও প্রশাসন পৃথকীকরণ, কর ব্যবস্থার অটোমেশন, কর ফাঁকি রোধ এবং ব্যবসা সহজীকরণে ডিরেগুলেশন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে সামর্থ্যভিত্তিক ফ্ল্যাট রেটে ভ্যাট প্রদানের ব্যবস্থা রাখা হলেও কাঁচাবাজার ও ক্ষুদ্র মুদি দোকানকে এ ব্যবস্থার বাইরে রাখা হবে।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, মুদ্রানীতি ও রাজস্ব নীতির সমন্বয়, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা, বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা, কৃষি ও শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় ৬০টি পণ্যের উৎসে কর কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সরবরাহব্যবস্থার দুর্বলতা দূর করা, বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ানো এবং কারসাজির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

প্রস্তাবিত ৬ দশমিক ৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জনের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্প, কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তি ও সেবাখাতের সম্প্রসারণ, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং ক্রিয়েটিভ অর্থনীতির বিকাশের মাধ্যমে এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে।

সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার অংশ হিসেবে পরিচালন ব্যয় কমিয়ে উন্নয়ন ব্যয় বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে উন্নয়ন ব্যয়ের অংশ ২৭ দশমিক ২৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩৩ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং পরিচালন ব্যয়ের অংশ ৭২ দশমিক ৭৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৬৬ দশমিক ৩০ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। আগামী বছরগুলোতেও উন্নয়ন ব্যয়ের অংশ আরও বাড়ানো এবং পরিচালন ব্যয় ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনার নীতি অনুসরণ করবে সরকার।

# বাজেট সমাপনী বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী/শায়লা



বিষয়: #  #



আর্কাইভ