বৃহস্পতিবার ● ১১ জুন ২০২৬
প্রচ্ছদ » জাতীয় » বাজেটে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য ৭.৫ শতাংশ, জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬.৫ শতাংশ
বাজেটে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য ৭.৫ শতাংশ, জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬.৫ শতাংশ
নিজস্ব প্রতিবেদক
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি কমিয়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ লক্ষ্য ঘোষণা করেন।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর নতুন গণতান্ত্রিক প্রত্যাশা বাস্তবায়নের যাত্রার শুরুতেই দেশকে বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ নানা অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি, বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক মেরুকরণ এবং দেশের অর্থনীতির বিদ্যমান দুর্বলতা নতুন ঝুঁকি তৈরি করেছে।
তিনি বলেন, এসব চ্যালেঞ্জ বিবেচনায় রেখে এবারের বাজেটে স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ, উৎপাদন, কর্মসংস্থান এবং ন্যায্যতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সামষ্টিক অর্থনৈতিক কৌশল এমনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি উৎপাদন ও বিনিয়োগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে টেকসই প্রবৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়া যায়।
অর্থমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সরকারের পরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে ২০৩৪ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হবে। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৬ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
তবে সরকারের এই লক্ষ্য অর্জনের পথে বড় চ্যালেঞ্জও রয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত মে মাসে দেশের সাধারণ পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে পৌঁছেছে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ০৬ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৭১ শতাংশ।
অন্যদিকে বিবিএসের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ দশমিক ১৪ শতাংশ। সেই তুলনায় আগামী অর্থবছরে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য উচ্চাভিলাষী হলেও বিনিয়োগ, উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির মাধ্যমে তা অর্জন সম্ভব বলে মনে করছে সরকার।
অর্থনীতিবিদদের মতে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, ব্যাংক খাতের সংস্কার এবং বেসরকারি বিনিয়োগে গতি ফিরিয়ে আনতে পারলেই সরকারের নির্ধারিত অর্থনৈতিক লক্ষ্য বাস্তবায়ন সহজ হবে।
বিষয়: #জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬.৫ শতাংশ #বাজেটে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য ৭.৫ শতাংশ





ইসি পাবে ৪ হাজার ৪০১ কোটি টাকা
জাতীয় সংসদের বরাদ্দ প্রস্তাব ২৯১ কোটি টাকা
রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা
নারী ও শিশু উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ ৫,১৯৬ কোটি টাকা
শিক্ষা খাতে ইতিহাসের সর্বোচ্চ বরাদ্দের প্রস্তাব
কৃষি ঋণ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত মওকুফ
নতুন পে-স্কেল ঘোষণা, কার বেতন কত?
অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতার সারসংক্ষেপ
বাজেটের ইতিহাস: তাজউদ্দীন থেকে আমির খসরু 
