শিরোনাম:
ঢাকা, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
Swadeshvumi
বৃহস্পতিবার ● ১১ জুন ২০২৬
প্রচ্ছদ » জাতীয় » শিক্ষা খাতে ইতিহাসের সর্বোচ্চ বরাদ্দের প্রস্তাব
প্রচ্ছদ » জাতীয় » শিক্ষা খাতে ইতিহাসের সর্বোচ্চ বরাদ্দের প্রস্তাব
৫ বার পঠিত
বৃহস্পতিবার ● ১১ জুন ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

শিক্ষা খাতে ইতিহাসের সর্বোচ্চ বরাদ্দের প্রস্তাব

# বাজেট ধরা হয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা

---

নিজস্ব প্রতিবেদক

দক্ষ মানবসম্পদ গঠন, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি বিনির্মাণের লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে শিক্ষা খাতে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। আগামী অর্থবছরে শিক্ষা খাতে মোট বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা, যা বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ৮৭ হাজার ২০৬ কোটি টাকা বরাদ্দের তুলনায় প্রায় ৪৯ হাজার ৪০০ কোটি টাকা বেশি।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী শিক্ষা খাতকে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার খাত হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর বিকল্প নেই।

প্রস্তাবিত বাজেটে প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কারিগরি, মাদ্রাসা ও উচ্চশিক্ষা খাতে অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, গবেষণা, ডিজিটাল শিক্ষা কার্যক্রম এবং প্রযুক্তিনির্ভর পাঠদান ব্যবস্থার সম্প্রসারণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কর্মমুখী ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার বিস্তার ঘটিয়ে তরুণ জনগোষ্ঠীকে কর্মসংস্থানের উপযোগী করে গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

এবারের জাতীয় বাজেটের মোট আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ বাজেটগুলোর একটি। এর বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে মোট বাজেট ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। এই ঘাটতি পূরণে সরকার বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শিক্ষা খাতে রেকর্ড পরিমাণ বরাদ্দ দীর্ঘমেয়াদে দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে এ বিপুল বরাদ্দের কার্যকর বাস্তবায়নই হবে সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। শিক্ষা খাতের উন্নয়ন প্রকল্প, গবেষণা ও দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচিগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।



বিষয়: #



আর্কাইভ