রবিবার ● ৩ মে ২০২৬
প্রচ্ছদ » অর্থনীতি » বাজেটে রিকন্ডিশন্ড বৈদ্যুতিক ও হাইব্রিড গাড়িতে শুল্ক কমানোর আহ্বান বারভিডার
বাজেটে রিকন্ডিশন্ড বৈদ্যুতিক ও হাইব্রিড গাড়িতে শুল্ক কমানোর আহ্বান বারভিডার
![]()
নিজস্ব প্রতিবেদক
আসন্ন জাতীয় বাজেটকে সামনে রেখে রিকন্ডিশন্ড বৈদ্যুতিক ও হাইব্রিড গাড়ি আমদানিতে যৌক্তিক শুল্ক নির্ধারণ এবং স্পষ্ট আমদানি নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা)।
শনিবার (২ মে) রাজধানীর বিজয়নগরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি এ দাবি তুলে ধরে।
বারভিডা নেতারা বলেন, দেশের বর্তমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় জ্বালানি সাশ্রয়ী যানবাহনের ব্যবহার বাড়ানো জরুরি। এ ক্ষেত্রে রিকন্ডিশন্ড হাইব্রিড ও প্লাগ-ইন হাইব্রিড (পিএইচইভি) গাড়ি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই এসব গাড়ির ওপর শুল্ক কমানোর পাশাপাশি পুরোনো গাড়ি আমদানির বয়সসীমা ৫ বছর থেকে বাড়িয়ে ৮ বছর করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে মাইক্রোবাস ও পিকআপের আমদানি শুল্ক কমানোর দাবিও জানানো হয়।
সংগঠনের মতে, এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে মধ্যবিত্তের নাগালের মধ্যে গাড়ির দাম রাখা সম্ভব হবে। পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়, জ্বালানি ব্যয় হ্রাস এবং বাজার সম্প্রসারণের মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বারভিডার সভাপতি আবদুল হক বলেন, সরকার ইতোমধ্যে ‘ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল শিল্প উন্নয়ন নীতিমালা ২০২৫’ প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে, যেখানে করছাড়সহ নানা প্রণোদনার কথা রয়েছে। তবে দেশে এখনো পর্যাপ্ত চার্জিং অবকাঠামো, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, জলাবদ্ধতায় ব্যবহারযোগ্যতা এবং সার্ভিসিং নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠেনি। তাই হাইব্রিড ও প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়িকে অন্তর্বর্তী সমাধান হিসেবে বিবেচনা করে এসব রিকন্ডিশন্ড গাড়ির ওপর শুল্ক কমানোর দাবি জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, জাপানিজ ডোমেস্টিক মডেল (জেডিএম) রিকন্ডিশন্ড গাড়িগুলো প্রায় নতুনের মতো মানসম্পন্ন। দেশে এসব গাড়ির পুনঃবিক্রয় মূল্য ভালো এবং রক্ষণাবেক্ষণ সহজ, পাশাপাশি খুচরা যন্ত্রাংশ সহজলভ্য।
সংবাদ সম্মেলনে বারভিডার মহাসচিব রিয়াজ রহমান অভিযোগ করেন, ভ্যাট নিরীক্ষার নামে ব্যবসায়ীদের অযথা হয়রানি করা হচ্ছে। আইন অনুযায়ী পাঁচ বছরের হিসাব যাচাইয়ের সুযোগ থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের শুরু থেকে সব নথি চাওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে করোনা মহামারির সময়কার হিসাব নিয়ে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে, যা বাস্তবসম্মত নয়।
এ সময় বারভিডার নেতা হাবিবুর রহমান খান বলেন, ভ্যাট নিরীক্ষা দৈবচয়ন ভিত্তিতে সীমিত সংখ্যক প্রতিষ্ঠানের হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে চট্টগ্রামে প্রায় ৯০ শতাংশ ব্যবসায়ীকে এর আওতায় আনা হয়েছে। গত সাত বছরের হিসাব চাওয়ার পাশাপাশি বড় অঙ্কের জরিমানার নোটিশ দেওয়া হচ্ছে, যা ব্যবসায়ীদের জন্য বড় ধরনের চাপ তৈরি করছে।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের অন্যান্য নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
বিষয়: #বাজেটে রিকন্ডিশন্ড বৈদ্যুতিক ও হাইব্রিড গাড়িতে শুল্ক কম





জাল নোটের প্রচলন রোধে সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: সংসদে অর্থমন্ত্রী
সংসদে অভিযোগ: নতুন ব্যাংক নোটে ত্রুটি, জালিয়াতির ঝুঁকি বাড়ছে
পুনরায় বিএসইসি’র নেতৃত্ব পেতে মরিয়া বিতর্কিত ড. তারিকুজ্জামান
৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো দেশের রিজার্ভ
মাত্র কয়েকঘণ্টার ব্যবধানে কমলো স্বর্ণের দাম
সোনার দামে বড় পতন
সোনার দাম ভরিতে কমলো ১৪ হাজার
পুঁজিবাজারে সাপ্তাহিক লেনদেন বেড়েছে ৫১ শতাংশ
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বারভিডার স্মরণ সভা ও দোয়া 
