শুক্রবার ● ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রচ্ছদ » জাতীয় » নজিরবিহীন প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে ভোটে দায়বদ্ধ সংসদ গড়াই লক্ষ্য: সংসদে প্রধানমন্ত্রী
নজিরবিহীন প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে ভোটে দায়বদ্ধ সংসদ গড়াই লক্ষ্য: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
দেড় দশকের দুঃশাসন ও ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের যাত্রা শুরু হয়েছে। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা করেছেন, এখন থেকে জাতীয় সংসদ হবে দেশের সকল যুক্তি-তর্ক ও জাতীয় সমস্যা সমাধানের মূল কেন্দ্রবিন্দু। নজিরবিহীন প্রেক্ষাপটে গড়ে উঠা এই সংসদে ভোটে দায়বদ্ধ সংসদ গড়াই তার সরকারের লক্ষ্য।
আজ বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী প্রবীণ রাজনীতিবিদ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম সভাপতি হিসেবে প্রস্তাব করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তৃতার শুরুতে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহীদদের গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের নির্মমতার শিকার অসংখ্য মানুষের কান্না আর হাজারো প্রাণের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ আমরা একটি দায়বদ্ধ সংসদ পেয়েছি। যারা গুম, খুন এবং ‘আয়নাঘরের’ মতো বর্বর নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তাদের সাহসিকতাতেই আজ দেশে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সংসদীয় গণতন্ত্রের অগ্রদূত উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া সংসদীয় গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিলেন। কিন্তু বিগত শাসনামলে সেই সংসদকে প্রহসনে পরিণত করা হয়েছিল। তিনি আপসহীনভাবে লড়াই করেছেন, কিন্তু এই শুভ মুহূর্তটি দেখে যেতে পারেননি। আমরা তাকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি।
একইসঙ্গে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উক্তি উদ্ধৃত করে বলেন, জনগণই যদি রাজনৈতিক দল হয়, তবে আমি সেই দলেই আছি। ব্যক্তি বা দলের চেয়ে জনগণের স্বার্থই বড়—এটাই বিএনপির মূল দর্শন।
তারেক রহমান স্পষ্ট করে বলেন, আমি দলীয়ভাবে নির্বাচিত হলেও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এই সংসদে সমগ্র দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি। আমাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু একটি সার্বভৌম, নিরাপদ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার প্রশ্নে আমাদের মধ্যে কোনো বিরোধ থাকতে পারে না। তিনি প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করার মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সকল সংসদ সদস্যের সহযোগিতা কামনা করেন।
বর্তমান সংসদের বিশেষ পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের জনবিরোধী কর্মকাণ্ডের ফলে সৃষ্ট জনরোষে সাবেক স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারদের কাউকেও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তারা হয় কারাগারে, না হয় পলাতক।
এই সংকটকালীন অধিবেশনে সভাপতিত্বের প্রস্তাব প্রসঙ্গে তিনি ১৯৭৩ সালের উদাহরণ টেনে বলেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানও মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের নাম প্রস্তাব করেছিলেন। আজকের এই নজিরবিহীন প্রেক্ষাপটে আমরা প্রবীণ সংসদ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে কার্যক্রম শুরু করছি।





ইয়াবা আসক্তির মহামারি, ইয়াবা মানুষকে পশুতে পরিণত করে
ইসি সম্পূর্ণ প্রস্তুত, শিগগিরই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন তারিখ চূড়ান্ত হবে: সিইসি
সাংবাদিক-শিল্পীদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ: ১০১ বিশিষ্ট নাগরিকের উদ্বেগ
কাল থেকে সারাদেশে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট
টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনে হাইকোর্টের নির্দেশ
তফসিল ঘোষণা নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সিইসির বৈঠক কাল
ইসির নতুন জনসংযোগ পরিচালক মমিন সরকার
৭ মাসের মেয়েকে হত্যা: বাবা তিন দিনের রিমান্ডে 
