শিরোনাম:
ঢাকা, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
Swadeshvumi
বৃহস্পতিবার ● ১২ মার্চ ২০২৬
প্রচ্ছদ » গণমাধ্যম » গণমাধ্যমে যৌন হয়রানি রোধে ৩ প্রতিষ্ঠানের অংশীদারিত্ব, দুটি সমঝোতা চুক্তি
প্রচ্ছদ » গণমাধ্যম » গণমাধ্যমে যৌন হয়রানি রোধে ৩ প্রতিষ্ঠানের অংশীদারিত্ব, দুটি সমঝোতা চুক্তি
১২২ বার পঠিত
বৃহস্পতিবার ● ১২ মার্চ ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

গণমাধ্যমে যৌন হয়রানি রোধে ৩ প্রতিষ্ঠানের অংশীদারিত্ব, দুটি সমঝোতা চুক্তি

---


নিজস্ব প্রতিবেদক

গণমাধ্যমে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ এবং ভুক্তভোগীদের আইন ও মানসিক সহায়তা নিশ্চিত করতে গতকাল বুধবার (১১ মার্চ) রাজধানীর একটি হোটেলে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নারী অধিকার সংগঠন ‘বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ’ এবং ‘ইনস্টিটিউট অফ সাইকোলজি অ্যান্ড হেলথ’ (আইপিএইচ)-এর সঙ্গে পৃথক দুটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে উইমেন জার্নালিস্ট নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (ডব্লিউজেএনবি)।

বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশনের সহযোগিতায় পরিচালিত ‘স্ট্রেনথেনিং উইমেন জার্নালিস্টস নেটওয়ার্ক টু ট্যাকল সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট’ প্রকল্পের আওতায় এই কৌশলগত অংশীদারিত্ব শুরু হলো। নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতায় সই করেন মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু, আইপিএইচ-এর পরিচালক সাইকোলজিস্ট নাজমুল হোসেন এবং ডব্লিউজেএনবি সমন্বয়কারী আঙ্গুর নাহার মন্টি।

অনুষ্ঠানে বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর মো. আল মামুন বলেন, এই এমওইউ কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং গণমাধ্যমে নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সম্মিলিত অঙ্গীকার। এর মাধ্যমে সংবাদকর্মীরা কেবল সচেতনতা নয়, বরং সরাসরি ও কার্যকর সুরক্ষার সুযোগ পাবেন।

---

মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু বলেন, “কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানির প্রভাব পুরুষরা প্রায়ই বুঝতে ব্যর্থ হন। মহিলা পরিষদ দীর্ঘকাল ধরে গণমাধ্যমগুলোতে জেন্ডার নীতি ও হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি সক্রিয় করতে কাজ করে যাচ্ছে।”

আইপিএইচ পরিচালক নাজমুল হোসেন মনে করেন, আইনি প্রতিকারের পাশাপাশি ভুক্তভোগীর মানসিক ট্রমা কাটিয়ে ওঠার বিষয়টিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

ডব্লিউজেএনবি সমন্বয়কারী আঙ্গুর নাহার মন্টি জানান, এই চুক্তির ফলে মাঠপর্যায়ের নারী সাংবাদিকরা হয়রানির শিকার হলে দ্রুত বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে আইনি পরামর্শ ও মানসিক স্বাস্থ্য সেবা পাবেন।

অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ওপর আলোকপাত করেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শাহনাজ শারমীন ও রিতা নাহার এবং বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশনের রাশেদুল হাসান ও আরাফাত সিদ্দিকী। এছাড়াও প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আমিন আল রশীদ, মৌলি ইসলাম, জুম্মাতুল বিদা ও নওরিন আহমেদ মনীশা। উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ তানভীর রহমান, মহিলা পরিষদের সীমা মোসলেম, মাসুদা রেহানা বেগম, রেখা সাহা এবং জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শাহনাজ মুন্নী, মুনিমা সুলতানা, শারমীন রিনভী, মাসুদ করিম, মানসুরা হোসেইন, নাজনীন আখতার, নাজনীন মুন্নী ও মিল্টন আনোয়ারসহ আরও অনেকে।

উল্লেখ্য, প্রকল্পের কার্যক্রম হিসেবে ইতিমধ্যে সাংবাদিকদের জন্য ‘রেসপন্ডার ট্রেনিং’ এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের ‘ব্রেইনস্টর্মিং ওয়ার্কশপ’ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য একটি আন্তর্জাতিক মানের ‘সুরক্ষা প্রোটোকল’ তৈরির কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।



বিষয়: #  #



আর্কাইভ