শিরোনাম:
ঢাকা, সোমবার, ১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
Swadeshvumi
সোমবার ● ১ জুন ২০২৬
প্রচ্ছদ » জাতীয় » পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ
প্রচ্ছদ » জাতীয় » পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ
৩ বার পঠিত
সোমবার ● ১ জুন ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

‘শারীরিক অসুস্থতার কারণে দায়িত্ব পালন কঠিন হয়ে পড়েছে’ 

নিজস্ব প্রতিবেদক

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন। সোমবার (১ জুন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে তিনি তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। প্রধানমন্ত্রী তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন বলে জানা গেছে।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, পদত্যাগপত্রে দীপেন দেওয়ান তার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চাওয়ার পেছনে শারীরিক অসুস্থতার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক জটিলতায় ভোগার কারণে মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।

উল্লেখ্য, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দেশের সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন। নির্বাচন-পরবর্তী ১৭ ফেব্রুয়ারি গঠিত নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে তিনি শপথ গ্রহণ করেন এবং পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।

তবে দায়িত্ব গ্রহণের সাড়ে তিন মাসের মাথায় শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তিনি মন্ত্রিসভা থেকে সরে দাঁড়ালেন। তার পদত্যাগের ফলে গুরুত্বপূর্ণ এ মন্ত্রণালয়ের নতুন দায়িত্ব কার হাতে যাবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো ঘোষণা আসেনি।

পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন

দীপেন দেওয়ানের জমা দেওয়া পদত্যাগপত্রে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে লেখা হয়েছে, “মহোদয়, আমি দীপেন দেওয়ান, এমপি, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। দায়িত্ব গ্রহণের পর হতে আমি শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছি। আমার শারীরিক অসুস্থতার কারণে মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত কাজের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নানাবিধ সমস্যা তৈরি হচ্ছে।”

চিঠিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, “বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাজের গতিশীলতা বৃদ্ধির স্বার্থে আমার বর্তমান পদ থেকে অব্যাহতি গ্রহণ করা আবশ্যক বলে মনে করছি।”

পদত্যাগপত্রের শেষাংশে তিনি লেখেন, “অতএব, উপর্যুক্ত কারণে আমার পদত্যাগপত্র গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।”

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর কাছে সশরীরে জমা দেওয়া ওই চিঠির ওপর ‘গৃহীত হলো’ লিখে স্বাক্ষর ও তারিখ সংযুক্ত করা হয়েছে।

দায়িত্ব গ্রহণের অল্প সময়ের মধ্যেই পদত্যাগের এ ঘটনা রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে পদত্যাগের কারণ হিসেবে শারীরিক অসুস্থতার বিষয়টিই প্রধান বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।



বিষয়: #



আর্কাইভ