শিরোনাম:
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
Swadeshvumi
মঙ্গলবার ● ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রচ্ছদ » জাতীয় » দুর্নীতির শিকারে শীর্ষে ময়মনসিংহ, ঘুষ দেওয়াতে খুলনা: টিআইবি
প্রচ্ছদ » জাতীয় » দুর্নীতির শিকারে শীর্ষে ময়মনসিংহ, ঘুষ দেওয়াতে খুলনা: টিআইবি
১ বার পঠিত
মঙ্গলবার ● ১৪ জুলাই ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

দুর্নীতির শিকারে শীর্ষে ময়মনসিংহ, ঘুষ দেওয়াতে খুলনা: টিআইবি

---

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের সেবা খাতে বিভাগভিত্তিক দুর্নীতির চিত্রে উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটির ‘সেবাখাতে দুর্নীতি: জাতীয় খানা জরিপ ২০২৫’-এর ফলাফলে দেখা গেছে, সেবা নিতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতির শিকার হচ্ছেন ময়মনসিংহ বিভাগের মানুষ। অন্যদিকে সেবা পেতে সবচেয়ে বেশি ঘুষ দিতে বাধ্য হচ্ছেন খুলনা বিভাগের নাগরিকেরা।

টিআইবির জরিপ অনুযায়ী, জাতীয়ভাবে দেশের ৮১ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনোভাবে দুর্নীতির শিকার হয়েছেন। একই সঙ্গে ৬৩ দশমিক ৬ শতাংশ সেবাগ্রহীতা বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সেবা নিতে গিয়ে ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছেন।

বিভাগভিত্তিক তথ্যে দেখা যায়, ময়মনসিংহ বিভাগে ৮৮ দশমিক ৯ শতাংশ পরিবার দুর্নীতির শিকার হয়েছে, যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ। এ বিভাগে ঘুষ দেওয়ার হারও ৬৬ দশমিক ৬ শতাংশ। দুর্নীতির হারে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে খুলনা বিভাগ, যেখানে ৮৮ শতাংশ পরিবার দুর্নীতির শিকার হলেও ঘুষ দেওয়ার হার দেশের সর্বোচ্চ ৭৩ দশমিক ৬ শতাংশ। বরিশালে দুর্নীতির হার ৮৭ দশমিক ৬ শতাংশ এবং ঘুষের হার ৬৯ দশমিক ১ শতাংশ।

এছাড়া রংপুর বিভাগে দুর্নীতির হার ৮৫ দশমিক ৭ শতাংশ ও ঘুষের হার ৬২ দশমিক ৮ শতাংশ। ঢাকা বিভাগে দুর্নীতির শিকার ৮০ দশমিক ১ শতাংশ এবং ঘুষ দিতে হয়েছে ৬৩ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষকে। চট্টগ্রামে দুর্নীতির হার ৭৯ দশমিক ৪ শতাংশ ও ঘুষের হার ৫৯ দশমিক ৪ শতাংশ। সিলেটে এ হার যথাক্রমে ৭৯ দশমিক ৩ এবং ৫৮ দশমিক ৯ শতাংশ। তুলনামূলকভাবে সর্বনিম্ন অবস্থানে থাকা রাজশাহী বিভাগেও ৭২ দশমিক ৯ শতাংশ পরিবার দুর্নীতির শিকার এবং ৫৮ দশমিক ৮ শতাংশ মানুষ ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে টিআইবি জানায়, জরিপের ফলাফল থেকে স্পষ্ট যে দেশের সেবা খাতে এখনো স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। তৃণমূল পর্যায়ে হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে দুর্নীতিবিরোধী আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর নজরদারি জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে সংস্থাটি।



বিষয়: #



আর্কাইভ