শিরোনাম:
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩
Swadeshvumi
বৃহস্পতিবার ● ১৪ মে ২০২৬
প্রচ্ছদ » অপরাধ » স্ত্রী-তিন মেয়েসহ ৫ খুন: ‘আত্মহত্যা’ করেছে ঘাতক ফোরকান
প্রচ্ছদ » অপরাধ » স্ত্রী-তিন মেয়েসহ ৫ খুন: ‘আত্মহত্যা’ করেছে ঘাতক ফোরকান
৬ বার পঠিত
বৃহস্পতিবার ● ১৪ মে ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

স্ত্রী-তিন মেয়েসহ ৫ খুন: ‘আত্মহত্যা’ করেছে ঘাতক ফোরকান

---

গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন কন্যা ও শ্যালককে নৃশংসভাবে হত্যার পর পালিয়ে যাওয়া ফোরকান মোল্লা (৪০) পদ্মা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ থাকা এই আসামির নদীতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দিন তার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

পুলিশ জানায়, গত ৮ মে রাতে কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা এলাকার ভাড়া বাসায় স্ত্রী, তিন মেয়ে ও শ্যালককে হত্যা করেন ফোরকান মোল্লা। প্রথমে খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে খাওয়ানোর পর তারা অচেতন হয়ে পড়লে ধারালো চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

নিহতরা হলেন ফোরকান মোল্লার স্ত্রী শারমিন খানম (৩৫), তিন মেয়ে মিম (১৪), মারিয়া (৮), ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়া (১৮)।

ঘটনার পর পালিয়ে গিয়ে তিনি স্বজনদের ফোন করে হত্যার বিষয়টি জানান বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ফোরকান মোল্লা গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মেরী গোপীনাথপুর এলাকার আতিয়ার রহমান মোল্লার ছেলে এবং পেশায় প্রাইভেটকার চালক ছিলেন।

পুলিশ সুপার আরও জানান, তদন্তে প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে জানা যায়, ১১ মে ফোরকানের মোবাইল ফোন মেহেরপুর সদর থানা এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে পদ্মা সেতুর সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা যায়, ৮ মে সকাল ৬টা ৪২ মিনিটে এক ব্যক্তি সাদা শার্ট ও কালো প্যান্ট পরে একটি সাদা প্রাইভেটকার থেকে নেমে সেতুর মাঝামাঝি অংশে অবস্থান নেন। এরপর কিছুক্ষণ পর ওই ব্যক্তি পদ্মা নদীতে ঝাঁপ দেন।

তদন্তে নিশ্চিত হওয়া যায়, নদীতে ঝাঁপ দেওয়া ওই ব্যক্তি ফোরকান মোল্লা। ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক পাঁচজনকে হত্যার পর তিনি আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে পদ্মা নদীতে ঝাঁপ দেন।

ঘটনার পরদিন লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাপাতিও উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহত শারমিন খানম ও রসুল মিয়ার বাবা মো. সাহাদৎ মোল্যা কাপাসিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ফোরকান মোল্লাকে প্রধান আসামি করে আরও কয়েকজন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশ বলছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ ও এর পেছনে অন্য কোনো বিষয় আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।



বিষয়: #



আর্কাইভ