শিরোনাম:
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩
Swadeshvumi
বৃহস্পতিবার ● ১৪ মে ২০২৬
প্রচ্ছদ » জাতীয় » রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ
প্রচ্ছদ » জাতীয় » রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ
৬ বার পঠিত
বৃহস্পতিবার ● ১৪ মে ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ

---

চট্টগ্রাম ব্যুরো

বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী, সাবেক মন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের ধুম ইউনিয়নে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

দাফনের আগে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এ সময় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে তার চার সন্তান ও নাতিরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বিকেল ৫টায় মিরসরাইয়ের মহাজানহাট কলেজ মাঠে মরহুমের তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বিপুল সংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণে জানাজা শেষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নিরাপত্তার মধ্যে জাতীয় পতাকায় মোড়ানো মরদেহ তার বাড়িতে নেওয়া হয়। পরে কবরস্থানের কাছাকাছি পৌঁছালে পরিবারের সদস্যরা কফিন কাঁধে নিয়ে যান।

এর আগে একই দিন বেলা ১১টা ১০ মিনিটে চট্টগ্রামের জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদে তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। কড়া নিরাপত্তার মধ্যেও হাজারো মুসল্লি এতে অংশ নেন।

জানাজায় বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব অংশগ্রহণ করেন। এদের মধ্যে ছিলেন ডা. শাহাদাত হোসেন, সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরের নেতা ডা. এ কে এম ফজলুল হকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।

চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে চট্টগ্রামের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

এ সময় সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীও মরহুমের রাজনৈতিক ও সামাজিক অবদানের কথা স্মরণ করেন।

পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের বড় ছেলে সাবেদুর রহমান সুমু সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, বুধবার রাত থেকেই চট্টগ্রাম নগরীতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। বিভিন্ন মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল এবং মসজিদ প্রাঙ্গণের প্রবেশপথে তল্লাশির ব্যবস্থা রাখা হয়। ব্যাগসহ প্রবেশকারীদের তল্লাশি করা হয়, সন্দেহভাজনদেরও যাচাই-বাছাই করা হয়।

স্থানীয়দের অনেকে জানান, নিরাপত্তা ব্যবস্থা কড়া থাকায় জানাজায় উপস্থিতি তুলনামূলক কম ছিল। তবে কেউ কেউ মনে করছেন, এ ব্যবস্থার কারণে পুরো অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় এই দাফনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনীতির এক পরিচিত মুখের জীবন অধ্যায়।



বিষয়: #



আর্কাইভ