শিরোনাম:
ঢাকা, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২
Swadeshvumi
শনিবার ● ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রচ্ছদ » জাতীয় » মুক্তিযুদ্ধের উপ-অধিনায়ক এ কে খন্দকার আর নেই
প্রচ্ছদ » জাতীয় » মুক্তিযুদ্ধের উপ-অধিনায়ক এ কে খন্দকার আর নেই
৫৬ বার পঠিত
শনিবার ● ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

মুক্তিযুদ্ধের উপ-অধিনায়ক এ কে খন্দকার আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক

---

মহান মুক্তিযুদ্ধের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ (উপ-অধিনায়ক) এবং সাবেক বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকার (বীর উত্তম) আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

জানা যায়, বার্ধক্যজনিত কারণে সকালে মহান মুক্তিযুদ্ধের এই উপ-অধিনায়ক মৃত্যুবরণ করেছেন।

প্রসঙ্গত, এ কে খন্দকারের (আবদুল করিম খন্দকার) জন্ম ১৯৩০ সালে তার বাবার কর্মস্থল রংপুরে। আদি নিবাস পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার পুরান ভারেঙ্গা গ্রামে। তার বাবা খন্দকার আব্দুল লতিফ ব্রিটিশ আমলে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন এবং মাতা আরেফা খাতুন ছিলেন গৃহিণী। চার ভাই ও এক বোনের মধ্যে এ কে খন্দকার ছিলেন তৃতীয়।বাবার চাকুরির সুবাদে তার শিক্ষাজীবন শুরু হয় বগুড়া শহরে। তিনি বগুড়া করোনেশন স্কুলে কিছুদিন পড়াশোনা করেন। তারপর বাবার বদলির কারণে তাদেরকে নওগাঁ চলে যেতে হয়। নওগাঁ করোনেশন স্কুল (নওগাঁ জিলা স্কুল) থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে মাধ্যমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল এবং মালদা জেলা স্কুলে। ভারত বিভাগের সময় এ. কে. খন্দকার ১৯৪৭ সালে মালদা জেলা স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করেন। এর পর ১৯৪৯ সালে আইএ পাস করেন।

১৯৫২ সালে পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। গ্রুপ ক্যাপ্টেন হিসেবে তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন এবং ডেপুটি চিফ অব স্টাফ নিযুক্ত হন। স্বাধীনতার পর ১৯৭৫ সালের আগস্ট পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রথম প্রধান ছিলেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হলে এর প্রতিবাদে তিনি বিমানবাহিনীর প্রধানের পদ থেকে পদত্যাগ করেন। ১৯৭৬ থেকে ১৯৮২ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া এবং ১৯৮২ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত ভারতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন।

১৯৯৮ ও ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ থেকে ১৯৯০ এবং ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রী ছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধে অনন্য অবদান রাখার জন্য এ কে খন্দকার ১৯৭৩ সালে বীর উত্তম খেতাব এবং ২০১১ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।






জাতীয় এর আরও খবর

সংসদে উত্তপ্ত ফ্লোর: গণভোট ও সংবিধান সংস্কার ইস্যুতে বিতর্ক তুঙ্গে সংসদে উত্তপ্ত ফ্লোর: গণভোট ও সংবিধান সংস্কার ইস্যুতে বিতর্ক তুঙ্গে
হামে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন: প্রধানমন্ত্রী হামে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন: প্রধানমন্ত্রী
স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়নের জন্য পর্যাপ্ত টাকা নেই: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়নের জন্য পর্যাপ্ত টাকা নেই: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী
রাষ্ট্র সংস্কারে জনগণের রায়কে উপেক্ষা না করার দাবি রাষ্ট্র সংস্কারে জনগণের রায়কে উপেক্ষা না করার দাবি
সংবিধান সংস্কারের আলোচনায় উত্তপ্ত সংসদ সংবিধান সংস্কারের আলোচনায় উত্তপ্ত সংসদ
সংসদকে ইনসাফের ভিত্তিতে পরিচালনা করা গেলে দেশেও ইনসাফ কায়েম সম্ভব: শফিকুর রহমান সংসদকে ইনসাফের ভিত্তিতে পরিচালনা করা গেলে দেশেও ইনসাফ কায়েম সম্ভব: শফিকুর রহমান
বিগত সময়ের দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বিগত সময়ের দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
সংসদ কারো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়: ডেপুটি স্পিকার সংসদ কারো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়: ডেপুটি স্পিকার
স্বাধীনতা দিবস আজ স্বাধীনতা দিবস আজ
দেড় যুগ পর স্বাধীনতা দিবসে প্যারেড দেড় যুগ পর স্বাধীনতা দিবসে প্যারেড

আর্কাইভ