শিরোনাম:
ঢাকা, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
Swadeshvumi
শনিবার ● ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রচ্ছদ » জাতীয় » মুক্তিযুদ্ধের উপ-অধিনায়ক এ কে খন্দকার আর নেই
প্রচ্ছদ » জাতীয় » মুক্তিযুদ্ধের উপ-অধিনায়ক এ কে খন্দকার আর নেই
৮৪ বার পঠিত
শনিবার ● ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

মুক্তিযুদ্ধের উপ-অধিনায়ক এ কে খন্দকার আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক

---

মহান মুক্তিযুদ্ধের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ (উপ-অধিনায়ক) এবং সাবেক বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকার (বীর উত্তম) আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

জানা যায়, বার্ধক্যজনিত কারণে সকালে মহান মুক্তিযুদ্ধের এই উপ-অধিনায়ক মৃত্যুবরণ করেছেন।

প্রসঙ্গত, এ কে খন্দকারের (আবদুল করিম খন্দকার) জন্ম ১৯৩০ সালে তার বাবার কর্মস্থল রংপুরে। আদি নিবাস পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার পুরান ভারেঙ্গা গ্রামে। তার বাবা খন্দকার আব্দুল লতিফ ব্রিটিশ আমলে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন এবং মাতা আরেফা খাতুন ছিলেন গৃহিণী। চার ভাই ও এক বোনের মধ্যে এ কে খন্দকার ছিলেন তৃতীয়।বাবার চাকুরির সুবাদে তার শিক্ষাজীবন শুরু হয় বগুড়া শহরে। তিনি বগুড়া করোনেশন স্কুলে কিছুদিন পড়াশোনা করেন। তারপর বাবার বদলির কারণে তাদেরকে নওগাঁ চলে যেতে হয়। নওগাঁ করোনেশন স্কুল (নওগাঁ জিলা স্কুল) থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে মাধ্যমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল এবং মালদা জেলা স্কুলে। ভারত বিভাগের সময় এ. কে. খন্দকার ১৯৪৭ সালে মালদা জেলা স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করেন। এর পর ১৯৪৯ সালে আইএ পাস করেন।

১৯৫২ সালে পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। গ্রুপ ক্যাপ্টেন হিসেবে তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন এবং ডেপুটি চিফ অব স্টাফ নিযুক্ত হন। স্বাধীনতার পর ১৯৭৫ সালের আগস্ট পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রথম প্রধান ছিলেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হলে এর প্রতিবাদে তিনি বিমানবাহিনীর প্রধানের পদ থেকে পদত্যাগ করেন। ১৯৭৬ থেকে ১৯৮২ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া এবং ১৯৮২ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত ভারতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন।

১৯৯৮ ও ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ থেকে ১৯৯০ এবং ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রী ছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধে অনন্য অবদান রাখার জন্য এ কে খন্দকার ১৯৭৩ সালে বীর উত্তম খেতাব এবং ২০১১ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।






জাতীয় এর আরও খবর

ব্যাংক থেকে টাকা তোলা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ব্যাংক থেকে টাকা তোলা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত
বাংলাদেশ কি মুসলমানের জন্য স্বাধীন হয়েছে, না সব জাতি-ধর্মের মানুষের জন্য? বাংলাদেশ কি মুসলমানের জন্য স্বাধীন হয়েছে, না সব জাতি-ধর্মের মানুষের জন্য?
সংসদে ইসলামী ব্যাংকের উন্নয়ন ও যাকাত টেলিভিশন চাইলেন পার্থ সংসদে ইসলামী ব্যাংকের উন্নয়ন ও যাকাত টেলিভিশন চাইলেন পার্থ
‘সময় চাহিয়া লজ্জা দিবেন না’: সংসদে এমপিদের উদ্দেশ্যে স্পিকার ‘সময় চাহিয়া লজ্জা দিবেন না’: সংসদে এমপিদের উদ্দেশ্যে স্পিকার
সাইবার নিরাপত্তা ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল উত্থাপন সাইবার নিরাপত্তা ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল উত্থাপন
তৃণমূলের মানুষের কল্যাণেই এ বাজেট, বাস্তবায়নে আত্মবিশ্বাসী সরকার: মীর শাহে আলম তৃণমূলের মানুষের কল্যাণেই এ বাজেট, বাস্তবায়নে আত্মবিশ্বাসী সরকার: মীর শাহে আলম
জিআই পণ্য টাঙ্গাইলের তাঁত শিল্প রক্ষায় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও তাঁতিদের জন্য সহজ শর্তে ঋণের দাবি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জিআই পণ্য টাঙ্গাইলের তাঁত শিল্প রক্ষায় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও তাঁতিদের জন্য সহজ শর্তে ঋণের দাবি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
সাইবার নিরাপত্তা ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল উত্থাপন সাইবার নিরাপত্তা ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল উত্থাপন
পালাকারের নতুন নাটক ‘হাজার চুরাশি’, উদ্বোধন আজ পালাকারের নতুন নাটক ‘হাজার চুরাশি’, উদ্বোধন আজ
হাওড়াঞ্চলের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বৃদ্ধি করুন হাওড়াঞ্চলের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বৃদ্ধি করুন

আর্কাইভ