শিরোনাম:
ঢাকা, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
Swadeshvumi
সোমবার ● ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রচ্ছদ » ইসি ও নির্বাচন » এনআইডি সংশোধনে কর্মকর্তাদের নিবিড় নজরদারি
প্রচ্ছদ » ইসি ও নির্বাচন » এনআইডি সংশোধনে কর্মকর্তাদের নিবিড় নজরদারি
১ বার পঠিত
সোমবার ● ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

এনআইডি সংশোধনে কর্মকর্তাদের নিবিড় নজরদারি

---

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনের ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তে নিবিড় নজরদারি করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিশেষ করে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তিতে কর্মকর্তারা নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ করছেন কি না, তা দৈবচয়নের ভিত্তিতে পর্যালোচনা করা হবে।

এ লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সম্পন্ন করা এনআইডি সংশোধনের আবেদন থেকে প্রতি মাসে ন্যূনতম তিনটি আবেদন দৈবচয়নের ভিত্তিতে যাচাই করে প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে ইসির জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) অনুবিভাগ।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ইসির এনআইডি অনুবিভাগের সহকারী পরিচালক মুহা. সরওয়ার হোসেন এ-সংক্রান্ত চিঠি মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়েছেন।

 

চিঠিতে বলা হয়েছে, জাতীয় পরিচয়পত্রে জন্মতারিখ সংশোধনসংক্রান্ত পরিপত্র জারি করা হয়েছে। ওই পরিপত্র অনুযায়ী অনলাইনে যাচাইযোগ্য জেএসসি, মাধ্যমিক বা সমমানের শিক্ষা সনদের ভিত্তিতে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ এর আওতাভুক্ত নয়।

এ ধরনের আবেদন সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা নির্বাচন কর্মকর্তা নিষ্পত্তি করতে পারবেন। ফলে মাঠপর্যায়ে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপরই এখন থেকে বাড়তি নজর থাকবে।

ইসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা তাদের অধীনস্থ কর্মকর্তাদের সম্পন্ন করা এনআইডি সংশোধন কার্যক্রম নিয়মিত মনিটরিং করবেন।

 

একই সঙ্গে দৈবচয়নের ভিত্তিতে প্রতি মাসে প্রত্যেক নিষ্পত্তিকারী কর্মকর্তার ন্যূনতম তিনটি আবেদন বাছাই করে যাচাই করতে হবে। এসব আবেদন যথাযথ নিয়মে নিষ্পত্তি হয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করে নির্ধারিত ছকে প্রতিবেদন তৈরি করতে হবে। প্রতিবেদনটি পরিচালক (অপারেশন্স)-এর ইন্টারনাল অ্যাকাউন্টে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতি মাসের প্রতিবেদন পরবর্তী মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে পাঠাতে হবে। অর্থাৎ কোনো কর্মকর্তা যে মাসে আবেদন নিষ্পত্তি করবেন, পরের মাসের প্রথম সপ্তাহেই তাঁর নিষ্পত্তি করা নির্বাচিত আবেদনগুলোর যাচাই প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

সিদ্ধান্তে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের উদ্যোগ

ইসি সূত্রে জানা গেছে, এনআইডি সংশোধনের ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ে অনেক ধরনের আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়। এর মধ্যে নাম, বাবা-মায়ের নাম, জন্মতারিখসহ বিভিন্ন তথ্য সংশোধনের আবেদন রয়েছে। এসব আবেদনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিধান রয়েছে।

বিশেষ করে জন্মতারিখ সংশোধন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ এনআইডির জন্মতারিখের সঙ্গে ভোটার তালিকা, পাসপোর্ট, সরকারি চাকরি, শিক্ষাগত যোগ্যতা, ব্যাংক হিসাবসহ নাগরিকের বিভিন্ন সেবার তথ্যের সম্পর্ক রয়েছে। ফলে নথি যাচাইয়ের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অসঙ্গতি বা অনিয়ম যাতে না হয়, সে জন্য মাঠপর্যায়ের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার ব্যবস্থা জোরদার করছে কমিশন।

দৈবচয়নের ভিত্তিতে আবেদন বাছাই করে পর্যালোচনার ফলে কোনো কর্মকর্তার সিদ্ধান্তে নিয়মের ব্যত্যয় ঘটছে কি না, কিংবা প্রয়োজনীয় নথি যথাযথভাবে যাচাই করা হয়েছে কি না, তা কেন্দ্রীয়ভাবে নজরে আনা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

প্রায় ১৩ কোটি নাগরিকের তথ্য

নির্বাচন কমিশনের এনআইডি সার্ভারে দেশের প্রায় ১৩ কোটি নাগরিকের তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে। এসব তথ্যের মধ্যে জন্মতারিখ, নাম, ঠিকানা, বাবা-মায়ের নামসহ নাগরিকের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত তথ্য রয়েছে।

প্রতিদিন হাজার হাজার নাগরিক এনআইডির বিভিন্ন তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন করেন। বিপুলসংখ্যক আবেদন মাঠপর্যায়ে নিষ্পত্তি হওয়ায় এসব সিদ্ধান্তের মান ও যথার্থতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকির প্রয়োজন রয়েছে।

নতুন নির্দেশনার ফলে উপজেলা ও থানা পর্যায়ে এনআইডি সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তও নিয়মিত যাচাইয়ের আওতায় আসবে। এতে একদিকে ভুল সিদ্ধান্ত শনাক্ত করা, অন্যদিকে অনিয়মের সুযোগ কমানোর ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন।

এনআইডি সংশোধনে কর্মকর্তাদের নিবিড় নজরদারি

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনের ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তে নিবিড় নজরদারি করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিশেষ করে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তিতে কর্মকর্তারা নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ করছেন কি না, তা দৈবচয়নের ভিত্তিতে পর্যালোচনা করা হবে।

এ লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সম্পন্ন করা এনআইডি সংশোধনের আবেদন থেকে প্রতি মাসে ন্যূনতম তিনটি আবেদন দৈবচয়নের ভিত্তিতে যাচাই করে প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে ইসির জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) অনুবিভাগ।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ইসির এনআইডি অনুবিভাগের সহকারী পরিচালক মুহা. সরওয়ার হোসেন এ-সংক্রান্ত চিঠি মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়েছেন।

চিঠিতে বলা হয়েছে, জাতীয় পরিচয়পত্রে জন্মতারিখ সংশোধনসংক্রান্ত পরিপত্র জারি করা হয়েছে। ওই পরিপত্র অনুযায়ী অনলাইনে যাচাইযোগ্য জেএসসি, মাধ্যমিক বা সমমানের শিক্ষা সনদের ভিত্তিতে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ এর আওতাভুক্ত নয়।

এ ধরনের আবেদন সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা নির্বাচন কর্মকর্তা নিষ্পত্তি করতে পারবেন। ফলে মাঠপর্যায়ে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপরই এখন থেকে বাড়তি নজর থাকবে।

ইসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা তাদের অধীনস্থ কর্মকর্তাদের সম্পন্ন করা এনআইডি সংশোধন কার্যক্রম নিয়মিত মনিটরিং করবেন।

একই সঙ্গে দৈবচয়নের ভিত্তিতে প্রতি মাসে প্রত্যেক নিষ্পত্তিকারী কর্মকর্তার ন্যূনতম তিনটি আবেদন বাছাই করে যাচাই করতে হবে। এসব আবেদন যথাযথ নিয়মে নিষ্পত্তি হয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করে নির্ধারিত ছকে প্রতিবেদন তৈরি করতে হবে।

প্রতিবেদনটি পরিচালক (অপারেশন্স)-এর ইন্টারনাল অ্যাকাউন্টে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতি মাসের প্রতিবেদন পরবর্তী মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে পাঠাতে হবে। অর্থাৎ কোনো কর্মকর্তা যে মাসে আবেদন নিষ্পত্তি করবেন, পরের মাসের প্রথম সপ্তাহেই তাঁর নিষ্পত্তি করা নির্বাচিত আবেদনগুলোর যাচাই প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

সিদ্ধান্তে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের উদ্যোগ

ইসি সূত্রে জানা গেছে, এনআইডি সংশোধনের ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ে অনেক ধরনের আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়। এর মধ্যে নাম, বাবা-মায়ের নাম, জন্মতারিখসহ বিভিন্ন তথ্য সংশোধনের আবেদন রয়েছে। এসব আবেদনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিধান রয়েছে।

বিশেষ করে জন্মতারিখ সংশোধন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ এনআইডির জন্মতারিখের সঙ্গে ভোটার তালিকা, পাসপোর্ট, সরকারি চাকরি, শিক্ষাগত যোগ্যতা, ব্যাংক হিসাবসহ নাগরিকের বিভিন্ন সেবার তথ্যের সম্পর্ক রয়েছে। ফলে নথি যাচাইয়ের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অসঙ্গতি বা অনিয়ম যাতে না হয়, সে জন্য মাঠপর্যায়ের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার ব্যবস্থা জোরদার করছে কমিশন।

দৈবচয়নের ভিত্তিতে আবেদন বাছাই করে পর্যালোচনার ফলে কোনো কর্মকর্তার সিদ্ধান্তে নিয়মের ব্যত্যয় ঘটছে কি না, কিংবা প্রয়োজনীয় নথি যথাযথভাবে যাচাই করা হয়েছে কি না, তা কেন্দ্রীয়ভাবে নজরে আনা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

প্রায় ১৩ কোটি নাগরিকের তথ্য

নির্বাচন কমিশনের এনআইডি সার্ভারে দেশের প্রায় ১৩ কোটি নাগরিকের তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে। এসব তথ্যের মধ্যে জন্মতারিখ, নাম, ঠিকানা, বাবা-মায়ের নামসহ নাগরিকের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত তথ্য রয়েছে।

প্রতিদিন হাজার হাজার নাগরিক এনআইডির বিভিন্ন তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন করেন। বিপুলসংখ্যক আবেদন মাঠপর্যায়ে নিষ্পত্তি হওয়ায় এসব সিদ্ধান্তের মান ও যথার্থতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকির প্রয়োজন রয়েছে।

নতুন নির্দেশনার ফলে উপজেলা ও থানা পর্যায়ে এনআইডি সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তও নিয়মিত যাচাইয়ের আওতায় আসবে। এতে একদিকে ভুল সিদ্ধান্ত শনাক্ত করা, অন্যদিকে অনিয়মের সুযোগ কমানোর ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন।



বিষয়: #



আর্কাইভ