শিরোনাম:
ঢাকা, সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
Swadeshvumi
রবিবার ● ৯ আগস্ট ২০২৬
প্রচ্ছদ » আইন-আদালত » হাইকোর্টের রায়ে পাওনা পরিশোধে বাধ্য মেঘনাঘাট পাওয়ার কোম্পানীর মালিকরা
প্রচ্ছদ » আইন-আদালত » হাইকোর্টের রায়ে পাওনা পরিশোধে বাধ্য মেঘনাঘাট পাওয়ার কোম্পানীর মালিকরা
২২ বার পঠিত
রবিবার ● ৯ আগস্ট ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

হাইকোর্টের রায়ে পাওনা পরিশোধে বাধ্য মেঘনাঘাট পাওয়ার কোম্পানীর মালিকরা

---

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

মৌলি মল্লিক

নানান ফন্দিফিকিরের পর অবশেষে কর্মীদের পাওনা পরিশোধে বাধ্য হচ্ছেন মেঘনা পাওয়ার লিমিটেডের মালিকরা। কোম্পানীটির যৌথ মালিকানা রয়েছে মালয়েশীয় প্রতিষ্ঠান পেনডেকার এনার্জি এবং সৌদি আরবের আলজোমাইল হোল্ডিংসের। প্রায় ১০ বছর আইনি লড়াইয়ের পর বকেয়া আদায়ে আশার আলো দেখছেন কোম্পানীটির কর্মীরা। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগের কয়েকটি মামলার রায়ে কোম্পানীটির পরাজয়ের পর এমন ধারনা দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা। 

 

 

 

আইনজীবীরা জানিয়েছেন, আইন অনুসারে মেঘনা পাওয়ার লিমিটেডের মোট মুনাফার ৫ শতাংশ পাওনা ছিল কর্মীদের। ২০০৬ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত পাওনা না পেয়ে কোম্পানীটির মালিকদের কাছে বারবার আবেদন করেও কোনো সুরাহা হয়নি। ফলে, প্রতিকার চেয়ে ২০১৪ সালে হাইকোর্টে রিট করেন কর্মীরা। রিটে পাওনা আদায়ে সরকারের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়। শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ৮ জুন আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সরকারকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। হাইকোর্টের  এই আদেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করে কোম্পানীটি। শুনানি শেষে ২০১৯ সালে আপিলটি খারিজ করেন আপিল বিভাগ। ফলে, হাইকোর্টে মেঘনা পাওয়ারের কর্মীদের করা রিটের বিচারকাজ পুনরায় শুরু হয়। হাইকোর্টের নির্দেশনা মোতাবেক  ১৯১৩ সালের ‘পাবলিক ডিমান্ডস রিকভারি অ্যাক্ট(পিডিআরএ)’-এর আওতায় কর্মীদের মুনাফার বকেয়া আদায়ের জন্য মেঘনাঘাট পাওয়ার লিমিটেডের বিরুদ্ধে নিম্ন আদালতে মামলা করে সরকার। সরকারের করা এসব পিডিআরএ মামলা এবং আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করতে সরকারি সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে কয়েকটি রিট দায়ের করে কোম্পানীটি। শুনানি শেষে গত বৃহস্পতিবার (৬ আগষ্ট) সবগুলো রিট খারিজ করেন হাইকোর্টের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের বেঞ্চ। একইসঙ্গে মেঘনা পাওয়ারের মুনাফার বকেয়াসহ কর্মীদের সব পাওনা আদায় করতে সরকারি নেওয়া সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন হাইকোর্ট। ফলে, মেঘনা পাওয়ার কোম্পানীকে অবশ্যই কর্মীদের পাওনা পরিশোধ করতে হবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। এ বিষয়ে কর্মীদের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার ওমর সাদাত খবরের কাগজকে বলেন, ‘বাংলাদেশের খেটে খাওয়া শ্রমিকদের লভ্যাংশের পাওনা আদায়ের ব্যাপারে সরকার যেসব উদ্যোগ নিয়েছে, তা আদালতের এই আদেশের ফলে অব্যাহত থাকবে। এই রায়ের ফলে বাংলাদেশী শ্রমিকদের ঠকানোর জন্য বিদেশি কোম্পানিগুলোর প্রবণতা অনেকটাই কমে আসবে। মেঘনা পাওয়ার লিমিটেডের আইনজীবী শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ বলেন, ‘পিডিআরের মামলাগুলো বিচারাধীন রয়েছে। সেই মামলাগুলো নিষ্পত্তির পর নির্ধারিত হবে কর্মীদেরকে কত টাকা দিতে হবে, কিভাবে দিতে হবে, নাকি দিতে হবে না।

 






আর্কাইভ