শিরোনাম:
ঢাকা, মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩
Swadeshvumi
মঙ্গলবার ● ৪ আগস্ট ২০২৬
প্রচ্ছদ » জাতীয় » শিশুর বিকাশে প্রয়োজন সহায়ক পরিবেশ ও সামাজিক জাগরণ: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
প্রচ্ছদ » জাতীয় » শিশুর বিকাশে প্রয়োজন সহায়ক পরিবেশ ও সামাজিক জাগরণ: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
১৫ বার পঠিত
মঙ্গলবার ● ৪ আগস্ট ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

শিশুর বিকাশে প্রয়োজন সহায়ক পরিবেশ ও সামাজিক জাগরণ: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

---

জলবায়ু সংকট মোকাবিলা ও শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক

মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, শিশুর সুপ্ত সম্ভাবনার বিকাশে সহায়ক পারিবারিক ও সামাজিক পরিবেশ গড়ে তোলা জরুরি। সরকারের একার পক্ষে এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়; এজন্য সরকার, উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে চ্যানেল আইয়ের মুস্তাফা মনোয়ার স্টুডিওতে বাংলাদেশ আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট (ইসিডি) নেটওয়ার্ক এবং প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘অ্যাক্ট ফর আর্লি ইয়ার্স: সেফগার্ডিং চাইল্ডহুড অ্যান্ড দ্য প্ল্যানেট’ শীর্ষক নীতি সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩৪ শতাংশ শিশু এবং ৫১ শতাংশ নারী। এ বিশাল জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন নিশ্চিত না করে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি বলেন, শিশুর প্রারম্ভিক বিকাশে বিনিয়োগ কোনো ব্যয় নয়, বরং এটি দেশের ভবিষ্যতের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ। শিশুদের স্বাস্থ্য, পুষ্টি, নিরাপত্তা, মানসিক বিকাশ এবং প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি জানান, বর্তমান সরকার মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করেছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে ১ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা নারী ও শিশুদের সুরক্ষা এবং অভিযোজন সক্ষমতা বাড়াতেও বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

নীতি সংলাপে বক্তারা বলেন, শিশুর জন্মের পর প্রথম এক হাজার দিন তার শারীরিক, মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। তাই এ সময়ে পুষ্টি, স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ পরিচর্যা ও মানসম্মত শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়ানোর বিকল্প নেই। একই সঙ্গে শিশুদের জন্য নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণকে জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনার অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানান তারা।

বাংলাদেশ আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্ক (বেন) এবং প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ নীতি সংলাপে সহযোগী হিসেবে ছিল আরনেক এবং সমষ্টি মিডিয়া কমিউনিকেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন। অনুষ্ঠানে সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহবুব, ইউনিসেফ, ইউনেস্কো, সেভ দ্য চিলড্রেন, বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, এনজিও প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।



বিষয়: #



আর্কাইভ