শিরোনাম:
ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
Swadeshvumi
সোমবার ● ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রচ্ছদ » জাতীয় » স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের সুপারিশ
প্রচ্ছদ » জাতীয় » স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের সুপারিশ
৪০ বার পঠিত
সোমবার ● ২০ এপ্রিল ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের সুপারিশ

জাতীয় সেমিনারে বক্তারা
---


নিজস্ব প্রতিবেদক

 

সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গঠনে স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির অন্তত ৫ শতাংশ বরাদ্দের জোরালো সুপারিশ করেছেন চিকিৎসক ও গবেষকরা। তারা বলেছেন, একটি কার্যকর, সমন্বিত ও জনগণকেন্দ্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে পর্যাপ্ত অর্থায়নের পাশাপাশি মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা জরুরি।

 

রবিবার (১৯ এপ্রিল ২০২৬) রাজধানীর একটি ক্লাবে “সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গঠনে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি খাতে সরকারের অগ্রাধিকার ও চ্যালেঞ্জসমূহ” শীর্ষক এক জাতীয় সেমিনারে তারা এসব কথা বলেন। এতে স্বাস্থ্য খাতের নীতিনির্ধারক, চিকিৎসক, গবেষক ও বিভিন্ন পেশাজীবীরা অংশ নেন।

 

সেমিনারে বক্তারা বলেন, দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং তা সবার জন্য সহজলভ্য ও বিনামূল্যে নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। একইসঙ্গে প্রতিটি জেলায় আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন সেকেন্ডারি হাসপাতাল গড়ে তোলা প্রয়োজন, যাতে রোগীদের ঢাকামুখী চাপ কমে। প্রযুক্তিনির্ভর সেবা, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ই-প্রেসক্রিপশন চালুর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত বলেন, স্বাস্থ্যসেবার পরিকল্পনায় জনগণের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও চাহিদাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। মানুষ সহজে প্রাপ্য, মানসম্মত এবং সময়োপযোগী চিকিৎসা চায়। এসব ক্ষেত্রে ঘাটতি থাকলে তা সরাসরি জনআস্থা ও জীবনমানকে প্রভাবিত করে।

 

সেমিনারে স্বাস্থ্যখাতের প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিকিৎসকের অসম বণ্টন, বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় চিকিৎসক সংকট, কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থার অভাব এবং পুষ্টি ও নিরাপদ পানির নিশ্চয়তার ঘাটতি তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি স্বাস্থ্যখাতে অপর্যাপ্ত বিনিয়োগ, ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা এবং অসংক্রামক রোগের বাড়তি ঝুঁকিও উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করা হয়।

 

আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতি প্রতিরোধ, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, একটি বহুস্তরভিত্তিক স্বাস্থ্যকাঠামো গড়ে তুলতে হলে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও তৃতীয় স্তরের সেবার মধ্যে কার্যকর সংযোগ স্থাপন অপরিহার্য।

সমাপনী বক্তব্যে বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের পরিচালক ডা. কাজী সাইফউদ্দিন বেননূর গবেষণালব্ধ তথ্যের ভিত্তিতে নীতি নির্ধারণের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, সফল পাইলট প্রকল্পগুলো দ্রুত সম্প্রসারণ করলে স্বাস্থ্যখাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

সেমিনার শেষে অংশগ্রহণকারীরা একটি সমন্বিত, টেকসই ও জনগণমুখী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান জানান।

 



বিষয়: #



আর্কাইভ