শিরোনাম:
ঢাকা, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২২ পৌষ ১৪৩২
Swadeshvumi
রবিবার ● ৪ জানুয়ারী ২০২৬
প্রচ্ছদ » জাতীয় » ৭ মার্চের ভাষণ বাদ, যুক্ত হয়েছে জুলাই আন্দোলন
প্রচ্ছদ » জাতীয় » ৭ মার্চের ভাষণ বাদ, যুক্ত হয়েছে জুলাই আন্দোলন
৩০ বার পঠিত
রবিবার ● ৪ জানুয়ারী ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

৭ মার্চের ভাষণ বাদ, যুক্ত হয়েছে জুলাই আন্দোলন

---

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৬ শিক্ষাবর্ষের অষ্টম শ্রেণির বাংলা বই ‘সাহিত্য কণিকা’ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাদ দেওয়া হয়েছে। এর পরিবর্তে গদ্য সাহিত্যে যুক্ত করা হয়েছে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট আন্দোলন, যা ১৯৬৯ ও ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে তুলনা করে উপস্থাপন করা হয়েছে।

এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের শিক্ষাক্রম অনুযায়ী অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ সাহিত্যিক গুরুত্ব বিবেচনায় অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং ২০২৫ শিক্ষাবর্ষেও তা রাখা হয়েছিল। তবে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পরিমার্জিত পাঠ্যবইয়ে গদ্য অংশ থেকে ভাষণটি পুরোপুরি বাদ দেওয়া হয়েছে। যদিও মাধ্যমিকের ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বইয়ে ভাষণের মাত্র তিনটি লাইন রাখা হয়েছে, সেখানে শেখ মুজিবুর রহমানের নাম থাকলেও ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি ব্যবহার করা হয়নি।

অন্যদিকে বাংলা বইয়ের গদ্য অংশে ‘গণঅভ্যুত্থান’ শিরোনামে যুক্ত হওয়া জুলাই আন্দোলনে বলা হয়েছে, আগের দুই গণঅভ্যুত্থানের মতো রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব না থাকলেও এই আন্দোলনে শিক্ষার্থীরাই নেতৃত্ব দিয়েছে এবং সর্বস্তরের মানুষ এতে অংশ নিয়েছে।

২০২৬ শিক্ষাবর্ষের বইয়ে ছয় দফার উল্লেখ থাকলেও বঙ্গবন্ধুর নাম নেই। একইভাবে ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস থাকলেও শেখ মুজিবুর রহমান কীভাবে ‘বঙ্গবন্ধু’ হয়ে উঠলেন—তা পাঠ্যবইয়ে রাখা হয়নি। এর আগে ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে ‘জাতির পিতা’ শব্দ বাদ দেওয়া হলেও বঙ্গবন্ধু উপাধি ছিল।

এ বিষয়ে এনসিটিবির চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মাহবুবুল হক পাটওয়ারী জানান, পাঠ্যবই পরিমার্জনের সময় তিনি দায়িত্বে ছিলেন না। এনসিটিবির সূত্র জানায়, ৫৭ সদস্যের এডিটরিয়াল প্যানেল পাঠ্যবই পরিমার্জন করেছে, যা জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটি (এনসিসি) অনুমোদন দিয়েছে।

 

 



বিষয়: #  #



আর্কাইভ