বৃহস্পতিবার ● ১২ জানুয়ারী ২০২৩
প্রচ্ছদ » জাতীয় » কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নতুন বহিঃবিভাগ উদ্বোধন
কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নতুন বহিঃবিভাগ উদ্বোধন
![]()
কক্সবাজার প্রতিনিধি
জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর আর্থিক সহযোগিতায় কক্সবাজারের ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালের নতুন বহিঃবিভাগ (আউটপেশেন্ট ডিপার্টমেন্ট / ওপিডি) কমপ্লেক্স চালু হয়েছে। বৃহস্পতিবার ১২ জানুয়ারি হাসপাতালটির বহিঃবিভাগের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।
এসময় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী বলেন, “নবনির্মিত এই বহি:বিভাগে রয়েছে আধুনিক সার্জারি, অর্থপেডিক, কার্ডিওলজি, ডেন্টাল, মা ও শিশু সেবা সহ নানাবিধ আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা; যা কক্সবাজারের জনসাধারণের আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রাপ্তিতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আধুনিক চিকিৎসাসেবার এই ভবন নির্মাণে সহায়তার জন্য আমি ইউএনএইচসিআর-কে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাই।”
ইউএনএইচসিআর এই কমপ্লেক্সের নির্মাণ, যন্ত্রপাতি সরবরাহ ও যাবতীয় ফার্নিশিং-এর কাজ সম্পন্ন করেছে, যেন কক্সবাজারে বসবাসরত বাংলাদেশী জনগণ ও রোহিঙ্গা শরণার্থীরা সময়োপযোগী জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা এবং উন্নত সেবা পেতে পারেন। এখানে থাকবে চক্ষু ও দন্ত বিভাগের সর্বোপরি সেবা, এবং বিভিন্ন ধরণের চিকিৎসা ও শল্য চিকিৎসার পরামর্শ নেয়ার সুযোগ। আধুনিক লিফট, অগ্নি-নির্বাপণ ব্যবস্থা এবং অত্যাধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ এই কমপ্লেক্সের মাধ্যমে আরও ব্যাপকভাবে পাওয়া যাবে।
ইউএনএইচসিআর-এর কক্সবাজার কার্যালয়ের প্রধান ইয়োকো আকাসাকা বলেন, “এই সদর হাসপাতাল কক্সবাজার জেলা ও এর নিকটবর্তী বিভিন্ন জেলা থেকে আসা বাংলাদেশী ও রোহিঙ্গা শরণার্থী রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছে। নতুন এই কমপ্লেক্সের মাধ্যমে কক্সবাজারের স্বাস্থ্যসেবা আরও জোরদার ও পরিশীলিত হবে; এর পাশাপাশি বিদ্যমান স্থাপনার উপর থেকে চাপ অনেক কমবে।
তিনতলাব্যাপী বিস্তৃত ৭৮টি রুমের এই বহিঃবিভাগ বাংলাদেশ সরকার ও ইউএনএইচসিআর-এর ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এর সাথে এটি কক্সবাজারের মানুষের– স্থানীয় বাংলাদেশী ও রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জীবন ও জীবনমান উন্নয়নে আমাদের চলমান কাজের উদাহরণ।
কক্সবাজার জেলার স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে ইউএনএইচসিআর তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রেখেছে। কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে, ২০২০ সালে ইউএনএইচসিআর এই সদর হাসপাতালের প্রথম আইসিইউ (ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট বা নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) নির্মাণ করেছে, যার সকল সরঞ্জাম ইউএনএইচসিআর-এর আর্থিক সহায়তায় স্থাপিত হয়। ইনটেনসিভ কেয়ার ও হাই ডিপেন্ডেন্সি বেড মিলিয়ে মোট ১৮ শয্যার এই আইসিইউ-তে পুরো জেলা থেকে আগত গুরুতর অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হয়েছিল, এবং এতে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের রেফারেলের মাধ্যমে চিকিৎসা নেয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে ইউএনএইচসিআর আইসিইউ-টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে।
২০১৭ সালের রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য মানবিক কর্মকাণ্ড শুরুর প্রথম থেকেই ইউএনএইচসিআর ও এর সহযোগী সংস্থাসমূহ শরণার্থীদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের পাশাপাশি কক্সবাজারের স্থানীয় জনগনের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। স্বাস্থ্যসেবা ও স্বাস্থ্য পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে; তবে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন পরিসেবা গ্রহণের সুযোগ সীমাবদ্ধ থাকায় শরণার্থী ও স্থানীয় জনগণের জন্য এ ধরনের নতুন স্বাস্থ্য বিষয়ক কার্যক্রম খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
বিষয়: #কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নতুন বহিঃবিভাগ উদ্বোধন





মাটির চুলা ও বৈদ্যুতিক চুলা কেনার হিড়িক
স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ দাবি সম্পাদকদের
আগামীকাল সশস্ত্র বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে ইসির বৈঠক
মতপার্থক্য থাকতেই পারে, মতবিভেদ যেন না হয়: তারেক রহমান
সীমানা জটিলতায় স্থগিত পাবনা-১ ও ২ আসনের নির্বাচন
প্রথম দিন ৫২ জনের আপিল মঞ্জুর
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বিকেলে, জরুরি নির্দেশনা
আনোয়ারা উদ্যান ডিএনসিসির কাছে হস্তান্তর করছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ
বাংলাদেশকে ২৭০ কোটি টাকা অনুদান দিচ্ছে জার্মানি
মাইলস্টোনে বিমান দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ৫ দফা দাবি 
