শুক্রবার ● ১০ জুলাই ২০২৬
প্রচ্ছদ » পরিবেশ-প্রকৃতি » ভারী বৃষ্টিতে ঢাকা-চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা: ভূমিধসের শঙ্কা
ভারী বৃষ্টিতে ঢাকা-চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা: ভূমিধসের শঙ্কা
![]()
নিজস্ব প্রতিবেদক
সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী ২৪ ঘণ্টা দেশের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পাওে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ শুক্রবার (১০ জুলাই) আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুকের সই করা সর্বশেষ আবহাওয়া পরিস্থিতি ও ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কবার্তা থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
সংস্থাটি জানিয়েছে, একই সঙ্গে সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রাখা হয়েছে এবং কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, উত্তর-পশ্চিম মধ্যপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বিরাজমান সুস্পষ্ট লঘুচাপটি দুর্বল হয়ে বর্তমানে মধ্য উত্তরপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় লঘুচাপ আকারে অবস্থান করছে। এটি ক্রমশ দুর্বল হয়ে যেতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে।
মৌসুমি বায়ুর বর্ধিতাংশের অক্ষ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় বিরাজ করছে।
এদিকে, এর প্রভাবে এদিন সকাল থেকে রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। এদিন সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আগামীকাল ১১ জুলাই সকাল ৯টা থেকে দ্বিতীয় দিনের পূর্বাভাসেও রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ স্থানে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। এদিনও দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আবহাওয়ার সর্বশেষ পরিস্থিতিতে বলা হয়েছে, সমুদ্রবন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ (তিন) নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
এছাড়া ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী (৪৪-৮৮ মিলিমিটার/২৪ ঘণ্টা) থেকে অতি ভারী (৮৮ মিলিমিটার/২৪ ঘণ্টা) বর্ষণ হতে পারে। এর ফলে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীর কোথাও কোথাও সাময়িক জলাবদ্ধতা এবং চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় কোথাও কোথাও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ ২১১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে চট্টগ্রামে। একই সময়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে ফরিদপুরে এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে সিলেটে।





দেশের পাঁচ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর
১২ জেলায় বন্যার আভাস: তিস্তার পানি বিপৎসীমা অতিক্রমের শঙ্কা
দেশের ১২ অঞ্চলে ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের শঙ্কা
কক্সবাজারে পাহাড়ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯
দেশের ৯ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া-বজ্রবৃষ্টির সতর্কতা
সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত
দেশের ১১ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার আভাস
১৫ জেলায় বজ্রবৃষ্টির আভাস
১৯ জেলায় শক্তিশালী ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরেও সতর্কবার্তা 
