রবিবার ● ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
প্রচ্ছদ » ইসি ও নির্বাচন » ইসির পিআর শাখার তালিকায় এখনো পর্যবেক্ষক সংস্থা ‘পাশা’র নাম
ইসির পিআর শাখার তালিকায় এখনো পর্যবেক্ষক সংস্থা ‘পাশা’র নাম
![]()
নিজস্ব প্রতিবেদক
পর্যবেক্ষক সংস্থা পিপলস অ্যাসোসিয়েশন ফর সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট (পাশা)-কে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের অনুমোদন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ (পিআর) শাখার পাঠানো তালিকায় সংস্থাটির নাম অন্তর্ভুক্ত থাকায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অনুমোদন বাতিলের ঘোষণা এলেও রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো নির্দেশনায় ‘পাশা’কে পর্যবেক্ষক কার্ড দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল মল্লিক স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় রিটার্নিং কর্মকর্তাদের পর্যবেক্ষক পরিচয়পত্র ও গাড়ির স্টিকার ইস্যু সংক্রান্ত নিয়ম-কানুন অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। ওই নির্দেশনায় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালা-২০২৫ অনুযায়ী পর্যবেক্ষকদের কার্ড দেওয়ার বিস্তারিত শর্ত উল্লেখ করা হয়।
নির্দেশনায় বলা হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত ৮১টি পর্যবেক্ষক সংস্থাকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কেন্দ্রীয়ভাবে ৭ হাজার ৯৯৭ জন এবং সংসদীয় আসনভিত্তিক স্থানীয়ভাবে ৪৭ হাজার ৪৫৭ জনসহ মোট ৫৫ হাজার ৪৫৪ জন পর্যবেক্ষক ভোট পর্যবেক্ষণে অংশ নিতে পারবেন।
পর্যবেক্ষক কার্ড ইস্যুর ক্ষেত্রে বেশ কিছু শর্তারোপ করা হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, আবেদনপত্রের সঙ্গে EO-2 ও EO-3 ফরম যথাযথভাবে দাখিল করা হয়েছে কি না তা যাচাই করতে হবে। পর্যবেক্ষকদের জন্ম তারিখ অবশ্যই ১১ ফেব্রুয়ারি ২০০৫ বা তার আগে হতে হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণ হিসেবে এসএসসি এবং এইচএসসি বা সমমানের সনদের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে প্রতিটি সংস্থার প্রধানকে লিখিতভাবে প্রত্যয়ন দিতে হবে যে, তাদের নিয়োগপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইসির প্রকাশিত এক তালিকায় দেখা যায়, ৮১টি নিবন্ধিত সংস্থার মধ্যে ‘পাশা’ একাই ৪৩০ জন কেন্দ্রীয় এবং ১০ হাজার ১২৯ জন স্থানীয় পর্যবেক্ষকের অনুমতি পেয়েছে। একটি মাত্র সংস্থাকে এত বিপুল সংখ্যক পর্যবেক্ষকের অনুমোদন দেওয়ায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। সমালোচনার মুখে সংস্থাটির সাংগঠনিক সক্ষমতা যাচাই করে শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) তাদের অনুমোদন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল।
তবে অনুমোদন বাতিলের একদিন পরই ইসির পিআর শাখা থেকে পাঠানো সর্বশেষ নির্দেশনায় সংস্থাটির নাম অন্তর্ভুক্ত থাকায় নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ সমন্বয়হীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে কমিশনের ভেতরে ও বাইরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।





নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রতিটি দলের আচরণবিধি থাকা উচিত: জাইমা রহমান
১২ ফেব্রুয়ারি যানবাহন চলাচলে বিধিনিষেধ
জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিল দাবি করেছেন নারী নেত্রীরা
বিদেশিদের কাছে বুধবার ভোটের প্রস্তুতি তুলে ধরবে ইসি
রংপুরে জিএম কাদেরের নির্বাচনি সভায় হামলা, মত প্রকাশের সময় শিক্ষার্থী ভোটার লাঞ্ছিত
একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন
“জামায়াতের ভোটের শুরুটাই অনৈতিক”
ক্ষমতায় গেলে যে ২৬ বিষয়কে অগ্রাধিকার দেবে জামায়াত 
