সোমবার ● ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রচ্ছদ » ইসি ও নির্বাচন » স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থন তালিকা দৈবচয়ন পদ্ধতিতে যাচাই করবে ইসি
স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থন তালিকা দৈবচয়ন পদ্ধতিতে যাচাই করবে ইসি
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জমা দেওয়া ভোটারের সমর্থনসূচক তালিকা যাচাইয়ে দৈবচয়ন (র্যান্ডম সিলেকশন) পদ্ধতি প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন সই করা অফিস আদেশ ও চিঠি থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
এ লক্ষ্যে কম্পিউটার প্রোগ্রামের মাধ্যমে প্রতিটি স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থন তালিকা থেকে দৈবভাবে নির্ধারিত ১০টি সংখ্যার ভিত্তিতে তথ্য যাচাই করা হবে।
এতে বলা হয়, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের ১০ জন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অফিস আদেশ অনুযায়ী, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) অনুষ্ঠিত হবে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের তারিখ নির্ধারিত রয়েছে ৩০ ডিসেম্বর। স্বতন্ত্র প্রার্থী (প্রার্থীতার পক্ষে সমর্থন যাচাই) বিধিমালা, ২০১১ অনুসারে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী প্রতিটি স্বতন্ত্র প্রার্থীর জন্য দৈবচয়নের ভিত্তিতে ১০টি সংখ্যা চিহ্নিত করা হবে। এই সংখ্যাগুলো হবে সমর্থন তালিকার ক্রমিক নম্বর অনুযায়ী এক থেকে এক শতাংশের মধ্যে যেকোনো ১০টি সংখ্যা।
এ বিষয়ে ইসি জানিয়েছে, দৈবচয়নের মাধ্যমে নির্ধারিত সংখ্যার বিপরীতে থাকা ভোটারদের তথ্য সরেজমিনে যাচাই করা হবে। এ ক্ষেত্রে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের আগেই রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিয়ে বিধি মোতাবেক যাচাই কার্যক্রম শেষ করবেন।
দৈবচয়ন পদ্ধতি কী
দৈবচয়ন বা র্যান্ডম সিলেকশন পদ্ধতি এমন একটি বাছাই প্রক্রিয়া, যেখানে কোনো ধরনের পক্ষপাত বা প্রভাব ছাড়াই একটি বৃহৎ তালিকা থেকে এলোমেলোভাবে নির্দিষ্ট সংখ্যক উপাদান নির্বাচন করা হয়। এই পদ্ধতিতে প্রতিটি নম্বর বা সদস্যের নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা সমান থাকে। নির্বাচন কমিশনের ক্ষেত্রে দৈবচয়ন পদ্ধতি ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য হলো— স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করা। যেহেতু স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সমর্থন তালিকায় বিপুলসংখ্যক ভোটারের নাম থাকে, তাই পুরো তালিকা যাচাই করা সময়সাপেক্ষ ও জটিল। সে কারণে কম্পিউটার প্রোগ্রামের মাধ্যমে দৈবভাবে নির্ধারিত কিছু নম্বর যাচাই করে পুরো তালিকার গ্রহণযোগ্যতা মূল্যায়ন করা হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পদ্ধতিতে কোনো নির্দিষ্ট ভোটার বা এলাকাকে লক্ষ্য করে যাচাই করা হয় না, ফলে ইচ্ছাকৃত বাদ দেওয়া বা বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সুযোগ থাকে না। লটারি বা সফটওয়্যারভিত্তিক দৈবচয়ন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করে যে যাচাই কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে নিরপেক্ষ ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে সম্পন্ন হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্যানেল প্রস্তুতের সময়সীমা তিন দিন বাড়িয়ে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। সংস্থাটির মতে, দৈবচয়ন পদ্ধতিতে যাচাইয়ের মাধ্যমে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সমর্থন তালিকার গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত হবে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থা আরও বাড়বে।





নির্বাচনে কেন্দ্র দখল হলে কেউ ছাড় পাবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
গণভোটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কোনো পক্ষে অবস্থান নেবেন না
নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে ১৬ দেশ
নির্বাচনের ফলাফল পরিবর্তনের চেষ্টা চলছে, অভিযোগ মির্জা আব্বাসের
এনসিপির ৩৬ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা
“পুরোনা কাসুন্দি নিয়ে আর কামড়া কামড়ি করবো না”
আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান
দীর্ঘ ২০ বছর পর গাজীপুরে যাচ্ছেন তারেক রহমান
নির্বাচনে অপতথ্য মোকাবিলায় ইসির তৎপরতা প্রশ্নবিদ্ধ
চট্টগ্রামে তারেক রহমানের সমাবেশ, জড়ো হচ্ছেন নেতাকর্মীরা 
