শিরোনাম:
ঢাকা, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১
Swadeshvumi
রবিবার ● ১০ মার্চ ২০২৪
প্রচ্ছদ » গণমাধ্যম » নারী উন্নয়ন খাতে বাজেটে বরাদ্দ আরো বাড়ানোর দাবি
প্রচ্ছদ » গণমাধ্যম » নারী উন্নয়ন খাতে বাজেটে বরাদ্দ আরো বাড়ানোর দাবি
৯০ বার পঠিত
রবিবার ● ১০ মার্চ ২০২৪
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

নারী উন্নয়ন খাতে বাজেটে বরাদ্দ আরো বাড়ানোর দাবি

---

 নারী দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা

# নারীর উন্নয়নে অভূতপূর্ব সাফল্য এসেছে বাংলাদেশে: ডেপুটি স্পিকার

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাষ্ট্রের সুষম অগগ্রতির স্বার্থে নারীর উন্নয়ন খাতে বাজেটে বরাদ্দ আরো বেশি বাড়ানো ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের যথাযথ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা। গতকাল শনিবার (৯ মার্চ) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাব আয়োজিত ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৪’ উপলক্ষে ‘ইনভেস্ট ইন উইমেন এক্সিলারেট গ্রোথ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তারা এসব কথা বলেন।

সভার প্রধান অতিথি জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকু বলেছেন, পুরুষের সঙ্গে সমানতালে নারীরা দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। ফলে নারীর উন্নয়নে বাংলাদেশ অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে। নারীর জন্য বিনিয়োগ যত বেশি বাড়বে, দেশের উন্নয়ন তত বেশি ত্বরান্বিত হবে। বর্তমান সরকার নারীর রাজনৈতিক ও  অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করেছে। সংসদে সরাসরি ও সংরক্ষিত আসনে আরও বেশি সংখ্যক নারীকে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে। এছাড়া স্থানীয় সরকার, প্রশাসনসহ দেশের সব সেক্টরে নারীরা বড় মাত্রায় ভূমিকা রাখছেন।

ডেপুটি স্পিকার বলেন,  ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি দেশ স্বাধীন করে নারী উন্নয়নের ভিত রচনা করেছেন। আর বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারীর উন্নয়নে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। দেশের উন্নয়নে নারীবান্ধব পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে উন্নয়ন কৌশল প্রণয়ন করেন। বাংলাদেশের সংবিধানে নারীর অধিকারকে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে যে সংবিধান জাতিকে উপহার দিয়েছেন তাতে নারীর অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। তাছাড়া পরবর্তীতে জাতীয় নারী নীতিমালাসহ যে সকল আইনকানুন ও বিধিবিধান প্রণয়ন করা হয়েছে তাতেও নারী অধিকার রক্ষা ও উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে।

 

---

 

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- জাতীয় সংসদের হুইপ সানজিদা খানম, জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিস গোয়েন লুইস এবং কানাডিয়ান হাই কমিশনের পলিটিক্যাল কাউন্সেলর ড. শিওভান কের। আলোচনায় বক্তারা বলেন, নারীর অংশগ্রহণ ছাড়া সুষম জাতীয় উন্নয়ন কোনোভাবেই সম্ভব নয়। জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের জন্য নারীকে মূলধারায় আরো বেশি করে সম্পৃক্ত করতে বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো প্রয়োজন।

আলোচনায় জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস বলেন, অনেক ক্ষেত্রে নারী এগিয়ে গেলেও বাংলাদেশে এখনও তারা পিছিয়ে আছেন। জাতিসংঘ বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে নারীর উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এ ধারা যেন অব্যাহত থাকে সে বিষয়ে জাতিসংঘের অঙ্গীকার তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

সভাপতির বক্তব্যে ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বক্ষেত্রে নারীদের যুক্ত করার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন। দেশের প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী এবং তাদের পেছনে রেখে বাংলাদেশের অগ্রগতি নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। সেই চিন্তা থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমাজের সর্বস্তরে নারীর অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন। তবে দেশের সুষম অগগ্রতির স্বার্থে নারীর উন্নয়নের বাজেটে বরাদ্দ আরো বাড়ানো ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের জন্য প্রাপ্ত বাজেটের যথাযথ বাস্তবায়নের দাবি জানান তিনি। কারণ নারীর জন্য বিনিয়োগ সরকার ও পরিবার উভয়কেই করতে হবে। শুধু আর্থিক বিনিয়োগ নয়, মানসিক বিনিয়োগও করতে হবে। 

সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত  সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রেস ক্লাবের সেমিনার, মিট দ্য প্রেস ও আন্তর্জাতিক লিয়াজোঁ উপ-কমিটির আহ্বায়ক ও এপি’র ব্যুরো প্রধান জুলহাস আলম। সভায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি হাসান হাফিজ, যুগ্ম সম্পাদক মো. আশরাফ আলী, ব্যবস্থাপনা কমিটি সদস্য ফরিদ হোসেন, কাজী রওনাক হোসেন, শাহনাজ সিদ্দীকি সোমা, কল্যাণ সাহা, মোহাম্মদ মোমিন হোসেনসহ ক্লাবের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

ডেপুটি স্পিকার/এলিস

 



বিষয়: #



আর্কাইভ