শিরোনাম:
ঢাকা, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
Swadeshvumi
সোমবার ● ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রচ্ছদ » জাতীয় » প্রত্যেক উপজেলায় ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার নির্মাণ করা হবে
প্রচ্ছদ » জাতীয় » প্রত্যেক উপজেলায় ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার নির্মাণ করা হবে
৮ বার পঠিত
সোমবার ● ১৩ জুলাই ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

প্রত্যেক উপজেলায় ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার নির্মাণ করা হবে

সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

---

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের প্রত্যেক উপজেলা সদরে সরকার ১০ শয্যাবিশিষ্ট কিডনির ডায়ালাইসিস সেন্টার নির্মাণ করবে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে উপজেলা পর্যায়ে আধুনিক ল্যাবরেটরি, এক্স-রে, আল্ট্রাসনোগ্রাম ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষার যন্ত্রপাতি স্থাপনের কার্যক্রমও চলছে বলে তিনি জানান। গতকাল সোমবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে এবং সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব তথ্য দেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট এবং প্রতিটি জেলা সদর হাসপাতালে ১০ শয্যাবিশিষ্ট কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশের সব উপজেলা সদরে ১০ শয্যাবিশিষ্ট ডায়ালাইসিস সেন্টার নির্মাণ করা হবে। তিনি জানান, উপজেলা পর্যায়ে আধুনিক ল্যাবরেটরির জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আমদানির প্রক্রিয়াও চলছে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক, নার্স ও মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীর বিপুলসংখ্যক পদ শূন্য থাকায় খুব শিগগিরই স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। বর্তমানে চিকিৎসকের অনুমোদিত ৪১ হাজার ৮০৬টি পদের মধ্যে ৯ হাজার ৪০৭টি, নার্সের ৪৯ হাজার ৮৭৯টির মধ্যে ৪ হাজার ৫৭৭টি এবং মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীর ৬৫ হাজার ২৩০টি পদের মধ্যে ১৮ হাজার ৯৪৭টি পদ শূন্য রয়েছে। এসব পদ দ্রুত পূরণের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

কমিউনিটি ক্লিনিক বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশে পরিচালিত ১৪ হাজার ৪৬০টি কমিউনিটি ক্লিনিকের মধ্যে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) পদের ৫৪০টি শূন্য রয়েছে। দ্রুত এসব পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। একই সঙ্গে গ্লুকোমিটার, রক্তচাপ মাপার যন্ত্র, নেবুলাইজার, পালস অক্সিমিটারসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের ঘাটতি পূরণে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)-এর অর্থায়নে প্রতিটি কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা সরঞ্জাম, ল্যাপটপ ও ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া হবে।

মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ২০১৮-১৯ সালের জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য জরিপ অনুযায়ী দেশে প্রাপ্তবয়স্কদের ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ এবং শিশু-কিশোরদের ১২ দশমিক ৬ শতাংশ কোনো না কোনো মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত। তবে আক্রান্তদের ৯২ শতাংশেরও বেশি কোনো চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন না। তিনি জানান, প্রতি এক লাখ মানুষের বিপরীতে দেশে মানসিক স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন মাত্র ১ দশমিক ১৭ জন। এ ঘাটতি কমাতে মানসিক স্বাস্থ্য আইন বাস্তবায়ন, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সংযুক্তকরণ, প্রশিক্ষণ এবং টেলিমেডিসিনভিত্তিক সেবা সম্প্রসারণে সরকার কাজ করছে।



বিষয়: #



আর্কাইভ