বুধবার ● ১৭ জুন ২০২৬
প্রচ্ছদ » আন্তর্জাতিক » কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষায় বহুমুখী কূটনীতিতে জোর দিচ্ছে সরকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষায় বহুমুখী কূটনীতিতে জোর দিচ্ছে সরকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
![]()
নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশের বর্তমান পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে কূটনৈতিক সম্পর্কের বহুমুখীকরণ এবং কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষা বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেছেন, জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার একদিকে ঐতিহ্যগত অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করছে, অন্যদিকে নতুন নতুন অঞ্চলের সঙ্গে সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণ করছে।
বুধবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের নবম দিনে নেত্রকোনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম হিলালীর লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এদিন প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রীর লিখিত জবাবসহ মন্ত্রীদের উত্তর টেবিলে উত্থাপন করা হয়।
ড. খলিলুর রহমান বলেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক বাস্তবতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাস, জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের গতিপথকে গভীরভাবে প্রভাবিত করছে। এ পরিস্থিতিতে কোনো একক শক্তিকেন্দ্রের ওপর নির্ভর না করে বাস্তববাদী ও স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে বাংলাদেশ।
তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, মধ্যপ্রাচ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার পাশাপাশি আসিয়ানভুক্ত দেশ, পূর্ব ও মধ্য এশিয়া, আফ্রিকা এবং লাতিন আমেরিকার উদীয়মান অর্থনীতিগুলোর সঙ্গে নতুন সহযোগিতা গড়ে তোলা হচ্ছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারতের সঙ্গে পানি বণ্টন, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, জ্বালানি সহযোগিতা ও বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতাসহ অমীমাংসিত বিষয়গুলো সমাধানে গঠনমূলক কূটনৈতিক উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে মিয়ানমারের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা কামনা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, অর্থনৈতিক কূটনীতি বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। জাপান, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি স্থানান্তর ও জ্বালানি সহযোগিতা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল অর্থনীতি, সেমিকন্ডাক্টর, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও ব্লু ইকোনমির মতো নতুন খাতেও আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা হচ্ছে।
জনশক্তি রপ্তানির বিষয়ে তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যের পাশাপাশি জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা ও পূর্ব ইউরোপের নতুন শ্রমবাজারে দক্ষ জনশক্তি পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শক্তিশালী ও বৈচিত্র্যময় আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
বিষয়: #কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষায় বহুমুখী কূটনীতিতে জোর দিচ্ছে সরক





রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের সদিচ্ছা নিয়েই বড় প্রশ্ন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
লেবাননে আবারও তীব্র ইসরায়েলি হামলা
ইরান চুক্তি থেকে দূরত্ব ইসরায়েলের
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা: সপ্তাহের শেষেই চুক্তি
জুনের শেষে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর: ডেপুটি স্পিকার
ইরানি ড্রোন ও রাডার স্টেশনে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলা
এআই দিয়ে বালুঝড়ের পূর্বাভাসে নতুন সাফল্য
ইউএনজিএ সভাপতির পদ বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্যের স্বীকৃতি: খলিলুর রহমান 
