শিরোনাম:
ঢাকা, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১
Swadeshvumi
রবিবার ● ৩ মার্চ ২০২৪
প্রচ্ছদ » রাজধানী » ভাষা দিবসে তেজগাঁও থানা বঙ্গবন্ধু পরিষদের আলোচনা সভা
প্রচ্ছদ » রাজধানী » ভাষা দিবসে তেজগাঁও থানা বঙ্গবন্ধু পরিষদের আলোচনা সভা
৩৩৩ বার পঠিত
রবিবার ● ৩ মার্চ ২০২৪
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

ভাষা দিবসে তেজগাঁও থানা বঙ্গবন্ধু পরিষদের আলোচনা সভা

---

নিজস্ব প্রতিবেদক 

তেজগাঁ থানা বঙ্গবন্ধু পরিষদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘চেতনার দ্রোহে বলিয়ান ফেব্রুয়ারি’ শীর্ষক আলোচনা সভা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর তেজগাঁও মডেল হাই স্কুলের অডিটোরিয়ামে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক অলিউর রহমানের সঞ্চালনায় এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি হাজী হারুনুর রশিদ৷

প্রধান আলোচক ছিলেন ঢাকা মহানগর বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মোহাম্মদ আলাউদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক সরদার মাহামুদ হাসান রুবেল।

আলোচনা সভায় মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেন, ‘ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার বীজ রোপণ করেছিলেন। আজীবন মাতৃভাষাপ্রেমী এই মহান নেতা ১৯৪৭ সালে ভাষা আন্দোলনের সূচনা পর্বে, ১৯৪৮ সালে রাজপথে আন্দোলন ও কারাবরণ, পরে আইনসভার সদস্য হিসেবে রাষ্ট্রভাষার সংগ্রাম ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় অতুলনীয় ভূমিকা রাখেন। স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি বাংলা ভাষাকে তুলে ধরেছেন বিশ্ববাসীর কাছে। এক কথায় রাষ্ট্রভাষা বাংলার আন্দোলন ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর সক্রিয় অংশগ্রহণ ইতিহাসের অনন্য দৃষ্টান্ত।’

সরদার মাহামুদ হাসান রুবেল বলেন, ‘১৯৪৭ সালের ৬ ও ৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তানের কর্মী সম্মেলনে গণতান্ত্রিক যুবলীগ গঠিত হয়। ওই সম্মেলনে ভাষাবিষয়ক কিছু প্রস্তাব গৃহীত হয়। এভাবেই ভাষার দাবি বঙ্গবন্ধুর কণ্ঠে প্রথম উচ্চারিত হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভারত থেকে তৎকালীন পূর্ববাংলায় প্রত্যাবর্তন করার পর সরাসরি ভাষা আন্দোলনে শরিক হন।

১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে সমকালীন রাজনীতিবিদসহ ১৪ জন ভাষাবীর সর্বপ্রথম ভাষা আন্দোলনসহ অন্যান্য দাবিসংবলিত ২১ দফা দাবি নিয়ে একটি ইশতেহার প্রণয়ন করেছিলেন। ওই ইশতেহারে ২১ দফা দাবির মধ্যে দ্বিতীয় দাবিটি ছিল রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই। ঐতিহাসিক এই ইশতেহারটি একটি ছোট পুস্তিকা আকারে প্রকাশিত হয়েছিল যার নাম, রাষ্ট্রভাষা-২১ দফা ইশতেহার-ঐতিহাসিক দলিল। ওই পুস্তিকাটি ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক প্রামাণ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃত। এই ইশতেহার প্রণয়নে শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান ছিল অনস্বীকার্য এবং তিনি ছিলেন অন্যতম স্বাক্ষরদাতা।’

সভায় বক্তারা বলেন, ‘আজীবন মাতৃভাষাপ্রেমী মহান নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৪৭ সালে ভাষা আন্দোলনের সূচনা পর্বে, ১৯৪৮ সালে রাজপথে আন্দোলন ও কারাবরণ, পরে আইনসভার সদস্য হিসেবে রাষ্ট্রভাষার সংগ্রাম ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় অতুলনীয় ভূমিকা রাখেন। এক কথায় রাষ্ট্রভাষা বাংলার আন্দোলন ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর সক্রিয় অংশগ্রহণ ইতিহাসের অনন্য দৃষ্টান্ত।’

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- ঢাকা মহানগর বঙ্গবন্ধু পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম ওয়াহিদুজ্জামান মিন্টু, নির্মল বিশ্বাস, তেজগাঁও মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. নজরুল ইসলাম, তেজগাঁও মডেল হাই স্কুলের প্রধান অতিথি মোঃ জামাল হোসেন, শফিউল্লাহ নাজিম, আমিনুল ইসলাম লিটন, লুৎফর নাহার লিপি, শাহিনা পারভীন, সরদার আবদুর রশিদ, আলী আকবর নোমানী ও মনির উদ্দিন আহমেদ৷



বিষয়: #



আর্কাইভ