শিরোনাম:
ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩
Swadeshvumi
সোমবার ● ১৪ নভেম্বর ২০২২
প্রচ্ছদ » জাতীয় » ক্যাশলেস সমাজ প্রতিষ্ঠা সরকারের লক্ষ্য : জয়
প্রচ্ছদ » জাতীয় » ক্যাশলেস সমাজ প্রতিষ্ঠা সরকারের লক্ষ্য : জয়
৫৬৬ বার পঠিত
সোমবার ● ১৪ নভেম্বর ২০২২
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

ক্যাশলেস সমাজ প্রতিষ্ঠা সরকারের লক্ষ্য : জয়

---
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় আজ বলেছেন, শতভাগ মানুষকে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সেবার আওতায় নিয়ে আসার অংশ হিসেবে আগামী তিন-চার বছরের মধ্যে ক্যাশলেস সমাজ প্রতিষ্ঠা সরকারের লক্ষ্য।
তিনি রোববার ১৩ নভেম্বর সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ইন্টারঅপারেবল ডিজিটাল ট্রানজেশন প্লাটফরম (আইডিটিপি) ‘বিনিময়’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য একটি ক্যাশলেস সমাজ প্রতিষ্ঠা।’
জয় বলেন, বর্তমানে প্রায় ৫/৬ কোটি গ্রামবাসীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আবারও জয়লাভ করে ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশের শতভাগ মানুষের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকবে এবং আমাদের সরকারের  পরবর্তী মেয়াদে তারা ক্যাশলেস সমাজে বাস করবেন।’
সজীব বলেন, নেটওয়ার্ক অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে, সরকারের সেবা ডিজিটালাইজড হয়েছে, প্রযুক্তি উন্নত হয়েছে, বাংলাদেশে বৃহৎ আইটি কোম্পানি গড়ে উঠেছে। এখন দেশেই ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন সেট ও কম্পিউটার মেমোরি চিপস উৎপাদিত হচ্ছে এবং এগুলোর রপ্তানি শুরু হতে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘এখন আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে একটি ক্যাশলেস সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। আমরা ইতোমধ্যেই এ ব্যাপারে কাজ শুরু করে দিয়েছি। কিন্তু, এতে ৩ থেকে ৪ বছর সময় লাগবে।’ তিনি আরো বলেন, সবার হাতে স্মার্ট ফোন থাকায় ভবিষ্যতে গোটা বিশ্ব ক্যাশলেস হবে।
সজীব ওয়াজেদ জয় ক্যাশ বা নগদ অর্থে লেনদেনের সমস্যা তুলে ধরে মানুষের জীবনকে সহজ ও গতিশীল করতে ক্যাশলেস সমাজ প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ, বিশেষত গ্রামের বাসিন্দারা নগদ অর্থে লেনদেন করে। কিন্তু নগদ অর্থে লেনদেনে সমস্যা রয়েছে। একটি সমস্যা হলো নগদ অর্থ চুরি-ছিনতাই হতে পারে। আরেকটি সমস্যা হচ্ছে সাধারণ মানুষ নগদ অর্থে সরকারি সেবা বা ভাতা পেতে হয়রানির শিকার হয়। এছাড়াও সন্ত্রাসবাদে ও দুর্নীতিতে নগদে অর্থায়ন করা হয়।’
দেশের আইসিটি ক্ষেত্রে অসামান্য সাফল্যের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশের পরিকল্পনা থেকে শুরু করে বাস্তবায়ন সবকিছুই আমাদের নিজস্ব উদ্যোগে সম্পন্ন হয়েছে। ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে কোন বিদেশী সংস্থা কোন ধরনের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা, সংক্ষিপ্ত বা প্রকল্প পরিকল্পনা করেনি। সবকিছুই আমরা নিজেরাই করেছি।’
প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা আরো বলেন, ‘কিছু প্রকল্প বিদেশী সংস্থা বাস্তবায়ন করেছে, কিন্তু প্ল্যানিং ও প্রকল্প ব্যবস্থাপনা আমরাই করেছি। ফাইবার অপটিক ক্যাবল দেশব্যাপী প্রায় সকল ইউনিয়ন পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।’
তিনি উল্লেখ করেন, এই পদক্ষেপের জন্য বাংলাদেশ প্রশংসিত হয়েছে। বিশ্বের কোন দেশই ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত ফাইবার অপটিক ক্যাবল নিয়ে যেতে পারেনি।
তিনি আরো বলেন, এখন ৫০ শতাংশ সরকারি সেবা ডিজিটাইজেশনের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং আশা করি কয়েক বছরের মধ্যেই শতভাগ সরকারি সেবা ডিজিটাইজড হয়ে যাবে।
সজীব ওয়াজেদ বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রায় ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ অ্যাপস ও ওয়েবসাইট দেশীয় কোম্পানির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।’
আজ সকালে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ও আইসিটি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব এনএম জিয়াউল আলম।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক মেজবাউল হক এই প্লাটফর্মের বৈশিষ্ট্যগুলো বর্ণনা করে একটি উপস্থাপনা পরিবেশন করেন।
আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বিনিময়’ ডিজিটাল আর্থিক লেনদেনের জন্য একটি যুগান্তকারী প্লাটফর্ম যা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকারের একটি সময়োচিত ও সুদূর প্রসারী পদক্ষেপ।
সরকার সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সকল ব্যাংক, এমএফএস অপারেটর ও পিএসপি অ্যাকাউন্টকে ইন্টারঅপারেবল করতে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর ফলে ভোক্তা, ব্যবসায়ী, পিএসপি, ই-ওয়ালেটস, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সরকারি সংস্থা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে লেনদেন সহজ হবে।
বিনিময় সব ধরনের আর্থিক লেনদেন ব্যয়-সাশ্রয়ী, সহজ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে। এছাড়াও এর মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন প্রদান, রেমিটেন্স পাঠানো, ট্যাক্স/ভ্যাট পরিশোধ, বিভিন্ন ইউটিলিটি বিল পরিশোধ ও ই-কমার্স লেনদেন করা যাবে।
ওয়েব-ভিত্তিক প্লাটফর্ম বিনিময় ব্যাংকের বিভিন্ন অ্যাপস, মোবাইল আর্থিক সেবা ও পেমেন্ট সিস্টেম প্রোভাইডারের মধ্যে সমন্বয় সাধন করবে।
আইসিটি ডিভিশন এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ইনোভেশন অ্যান্ড এন্টারপ্রেনরশিপ ডেভেলপমেন্ট অ্যাকাডেমি (আইডিইএ) প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে ভেলওয়্যার লিমিটেড, মাইক্রোসফট বাংলাদেশ ও অরিয়ন ইনফর্মেটিকস লিমিটেড এই প্লাটফর্মটি তৈরিতে সহায়তা করেছে।
বিনিময় প্লাটফর্মের দায়িত্ব সমন্বয় করবে ভেলওয়্যার লিমিটেড।
বাংলাদেশ ব্যাংক গত বৃহস্পতিবার এক প্রজ্ঞাপনে ইন্টারঅপারেবল ডিজিটাল লেনদেন প্লাটফর্ম (আইডিপিটি)’র খরচ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে।
এতে বলা হয়েছে, বিকাশ এবং রকেটে টাকা পাঠাতে প্রতি হাজারে খরচ হবে ৫ টাকা। আর এমএফএস সেবা (বিকাশ, রকেট ইত্যাদি) থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠাতে (প্রতি হাজারে) খরচ হবে ১০ টাকা। অপরদিকে এমএফএস থেকে পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডারের (পিএসপি) অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতো খরচ হবে হাজারে ৫ টাকা।
এতে আরো জানানো হয়, সোমবার থেকে এই প্লাটফর্মে লেনদেন করা যাবে।



বিষয়: #



জাতীয় এর আরও খবর

প্রবাসীদের আইনি জটিলতায় বিশেষ  আদালত গঠনের উদ্যোগ নেবে সরকার প্রবাসীদের আইনি জটিলতায় বিশেষ আদালত গঠনের উদ্যোগ নেবে সরকার
বিটিভিকে বাণিজ্যমুখী না হওয়ার পরামর্শ সংসদীয় কমিটির বিটিভিকে বাণিজ্যমুখী না হওয়ার পরামর্শ সংসদীয় কমিটির
মিষ্টির পদত্যাগ: শুন্য নারী আসনে ভোট ১২ নভেম্বর মিষ্টির পদত্যাগ: শুন্য নারী আসনে ভোট ১২ নভেম্বর
ইউপি নির্বাচনের চূড়ান্ত রোডম্যাপ ঘোষণা ইউপি নির্বাচনের চূড়ান্ত রোডম্যাপ ঘোষণা
দুর্গাপূজায় ব্যাংক বন্ধ ৫ দিন, ১৭ অক্টোবর খোলা থাকবে দুর্গাপূজায় ব্যাংক বন্ধ ৫ দিন, ১৭ অক্টোবর খোলা থাকবে
পরিবার, সমাজ ও অনলাইনে কন্যাশিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি পরিবার, সমাজ ও অনলাইনে কন্যাশিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি
সুস্থ থাকতে বিজ্ঞানভিত্তিক পুষ্টি, আধুনিক প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্যসচেতনতার গুরুত্ব অপরিসীম সুস্থ থাকতে বিজ্ঞানভিত্তিক পুষ্টি, আধুনিক প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্যসচেতনতার গুরুত্ব অপরিসীম
রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন পাহাড়ে বসছে দুটি সেনা ক্যাম্প রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন পাহাড়ে বসছে দুটি সেনা ক্যাম্প
ইউপি নির্বাচনের রোডম্যাপ আসছে ১২ অক্টোবর ইউপি নির্বাচনের রোডম্যাপ আসছে ১২ অক্টোবর
ইসিবি চত্বরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুর: ৩ আসামি কারাগারে, শুনানি বুধবার ইসিবি চত্বরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুর: ৩ আসামি কারাগারে, শুনানি বুধবার

আর্কাইভ