শিরোনাম:
ঢাকা, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩
Swadeshvumi
রবিবার ● ১২ জুলাই ২০২৬
প্রচ্ছদ » জাতীয় » টেলিটক বিক্রি নয়, আধুনিকায়নে জোর দিচ্ছে সরকার: সংসদে আইসিটি মন্ত্রী
প্রচ্ছদ » জাতীয় » টেলিটক বিক্রি নয়, আধুনিকায়নে জোর দিচ্ছে সরকার: সংসদে আইসিটি মন্ত্রী
৯ বার পঠিত
রবিবার ● ১২ জুলাই ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

টেলিটক বিক্রি নয়, আধুনিকায়নে জোর দিচ্ছে সরকার: সংসদে আইসিটি মন্ত্রী

---

 

নিজস্ব প্রতিবেদক 

 

রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক বিক্রির কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। বরং প্রতিষ্ঠানটির নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সেবার মান উন্নয়নে ব্যাপক আপগ্রেড কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

রোববার (১২ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য সানজিদা ইয়াসমিনের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে টেলিটক, গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংক—এই চারটি মোবাইল অপারেটর সেবা দিচ্ছে। প্রতিযোগিতামূলক বাজার বজায় রাখতে এবং গ্রাহকদের স্বার্থ সুরক্ষায় রাষ্ট্রীয় অপারেটর হিসেবে টেলিটকের উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। টেলিটক না থাকলে বেসরকারি অপারেটরগুলো সেবার মূল্য ইচ্ছামতো বাড়ানোর সুযোগ পেতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ফকির মাহবুব আনাম জানান, টেলিটকের সক্ষমতা বাড়াতে নতুন টাওয়ার স্থাপন, নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং প্রযুক্তিগত আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পে সরকারি অর্থায়নের পাশাপাশি বিদেশি উৎস থেকেও অর্থ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।

প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি আরও জানান, স্বল্পমেয়াদি ইন্টারনেট প্যাকেজের মেয়াদ শেষ হলে অব্যবহৃত ডেটা বাতিলের বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ও মোবাইল অপারেটরদের সঙ্গে একাধিক দফা আলোচনা হয়েছে। গ্রাহকসেবা উন্নয়নের অংশ হিসেবে কলড্রপ কমাতে অপারেটরদের ওপরও প্রয়োজনীয় চাপ অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, সরকারের ‘ডিজিটাল সংযোগ স্থাপন’ প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে ১ লাখ ৯ হাজার ৪টি ব্রডব্যান্ড সংযোগ স্থাপনের কাজ চলছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ৫৭ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কমিউনিটি ক্লিনিক, ভূমি অফিস ও আদালতে উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সীমান্ত ও নেটওয়ার্কবিহীন এলাকায় প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরদের সঙ্গে সমন্বয় করে নতুন টাওয়ার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও নিরবচ্ছিন্ন টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবা পেতে পারেন।



বিষয়: #  #



আর্কাইভ