শিরোনাম:
ঢাকা, শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
Swadeshvumi
সোমবার ● ২২ জুন ২০২৬
প্রচ্ছদ » জাতীয় » সংসদে ‘মবোক্রেসি’ শব্দ নিয়ে তীব্র বিতর্ক, এক্সপাঞ্জের দাবি নাকচ
প্রচ্ছদ » জাতীয় » সংসদে ‘মবোক্রেসি’ শব্দ নিয়ে তীব্র বিতর্ক, এক্সপাঞ্জের দাবি নাকচ
৬৪ বার পঠিত
সোমবার ● ২২ জুন ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

সংসদে ‘মবোক্রেসি’ শব্দ নিয়ে তীব্র বিতর্ক, এক্সপাঞ্জের দাবি নাকচ

---

সংসদ প্রতিবেদক 

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মিছিল ও প্রতিবাদকে একজন সংসদ সদস্য ‘মবোক্রেসি’ বলে অভিহিত করায় জাতীয় সংসদে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। শব্দটি কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার দাবি উঠলেও স্পিকার তা নাকচ করে দেন।

সোমবার (২২ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় বাজেট অধিবেশনের ১২তম দিনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য রাশেদুল ইসলাম স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, বাজেট প্রতিক্রিয়ায় জামায়াতে ইসলামীর মিছিল ও প্রতিবাদ প্রসঙ্গে একজন সদস্য ‘মবোক্রেসি’ শব্দ ব্যবহার করেছেন। তিনি এই শব্দটি সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার অনুরোধ জানান।

এ বিষয়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘মবোক্রেসি’ কোনো অশ্লীল শব্দ নয় এবং এটি কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার মতো কোনো বিষয়ও নয়। তিনি সংশ্লিষ্ট সদস্যকে পরামর্শ দেন, বাজেট আলোচনায় নিজের বক্তব্যের সময় এ বিষয়ে যথাযথ ব্যাখ্যা দিতে।

এরপর আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘মবোক্রেসি’ শব্দটি ইতিবাচক কোনো অর্থ বহন করে না এবং এটি আপত্তিকর বলে তিনি মনে করেন। তাঁর মতে, সংশ্লিষ্ট সদস্য হয়তো অনিচ্ছাকৃতভাবে শব্দটি ব্যবহার করেছেন।

তিনি আরও বলেন, বাজেট পরবর্তী সময়ে শুধু জামায়াতে ইসলামী নয়, অতীতে বিএনপি ও অন্যান্য দলও নানা ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করেছে। তাই সেসব গণতান্ত্রিক প্রতিক্রিয়াকে এই শব্দের মাধ্যমে চিহ্নিত করা কতটা যৌক্তিক, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। বিরোধীদলীয় নেতা এই শব্দটি সংসদের জন্য অনুপযুক্ত উল্লেখ করে এটি কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানান।

বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের পর স্পিকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে বলেন, ‘মবোক্রেসি’ শব্দটি এখন সাধারণ রাজনৈতিক পরিভাষায় পরিণত হয়েছে এবং বিভিন্ন আলোচনায় এটি ব্যবহৃত হয়। এটি কোনো অশ্লীল বা অসংসদীয় শব্দ নয়।

তিনি আরও বলেন, এটি মূলত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার বিকৃত রূপ বোঝাতে রাজনৈতিক পরিসরে ব্যবহৃত একটি শব্দ। তাই এটি কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার মতো নয়।

স্পিকার সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, প্রয়োজনে তারা তাদের বক্তব্যে এ ধরনের শব্দ ব্যবহার করতে পারেন। তবে বিষয়টি রাজনৈতিক পরিসরে ব্যবহৃত একটি সাধারণ পরিভাষা, যা কোনোভাবেই অসংসদীয় নয়।



বিষয়: #  #



আর্কাইভ