শিরোনাম:
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২
Swadeshvumi
বুধবার ● ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
প্রচ্ছদ » জাতীয় » ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা, পাবেন কারা, কী সুবিধা
প্রচ্ছদ » জাতীয় » ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা, পাবেন কারা, কী সুবিধা
৬৪ বার পঠিত
বুধবার ● ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা, পাবেন কারা, কী সুবিধা

---

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজেদের নির্বাচনী ইশতেহারে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর অঙ্গীকার করেছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে উদ্যোগী হয়েছে সরকার। আগামী ১০ মার্চ প্রাথমিকভাবে ১৪টি উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড চালু করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ‘ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন গাইডলাইন-২০২৬’ চূড়ান্ত করেছে।

নীতিমালায় ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’—এই দর্শনকে সামনে রেখে সুবিধাভোগী নির্ধারণের মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে নিম্ন-মধ্যম ও উচ্চ আয়ের অন্তত ছয় শ্রেণির পরিবারকে এ সুবিধার বাইরে রাখা হয়েছে।

যারা সুবিধা পাবেন না

নীতিমালা অনুযায়ী—

পরিবারের কেউ সরকারি পেনশনভোগী হলে,

পরিবারের কোনো সদস্য সরকারি চাকরিজীবী হলে,

বাড়িতে এয়ারকন্ডিশনার (এসি) ব্যবহারকারী বা গাড়িসহ বিলাসবহুল সম্পদের মালিক হলে,

বাণিজ্যিক লাইসেন্সধারী বা বড় ব্যবসার মালিক হলে—

সেসব পরিবার ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসবে না।

যারা অগ্রাধিকার পাবেন

অন্যদিকে সাত শ্রেণির পরিবারকে অগ্রাধিকার তালিকায় রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার, প্রতিবন্ধী সদস্য রয়েছে এমন পরিবার, অনগ্রসর জনগোষ্ঠী (হিজড়া, বেদে ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী), এবং শূন্য দশমিক পাঁচ একর বা তার কম জমির মালিক পরিবার।

সুবিধাভোগী নারী নির্বাচনে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিতের কথা বলা হয়েছে। সরকারের খানা জরিপ ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ডাটাবেজ ব্যবহার করে প্রকৃত উপযুক্ত পরিবার শনাক্ত করা হবে। জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) মাধ্যমে তালিকাভুক্তির পর সরকারি কোষাগার থেকে সরাসরি সুবিধাভোগী নারীর মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবে অর্থ পাঠানো হবে।

প্রাথমিকভাবে প্রতি পরিবারকে আড়াই হাজার টাকা দেওয়া হবে। পাইলট পর্যায়ে সাড়ে ছয় হাজার হতদরিদ্র পরিবার এ সুবিধা পাবে। পর্যায়ক্রমে দুই কোটি দরিদ্র পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিদ্যমান টিসিবি কার্ডকে ‘ডাইনামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি’ হিসেবে রূপান্তর করে এক কার্ডের আওতায় নগদ ভাতা, খাদ্য সহায়তা, শিক্ষা উপবৃত্তি ও কৃষি ভর্তুকি আনা হবে। ২০২৮ সালের মধ্যে সামাজিক নিরাপত্তা বাজেট জিডিপির ৩ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যও নির্ধারণ করা হয়েছে।






আর্কাইভ